Wednesday, June 20, 2018

আঁধার ও আলোর ছোট্ট একটি গল্প | Short Facebook Status

Alo r Adhar
 প্রতি রাতে আধার হন্য হয়ে খুজে বেড়ায় আলোকে। কিন্তু বদমাইশ আলোটা সারারাত লুকিয়ে থাকে আধারের বুকের মাঝখানে। কখনো সে দেখা দেয় না আধারের কাছে। সারারাত তন্ন তন্ন করে আলোকে খুজে ক্লান্ত আধার ভোরের আগেই ঘুমোতে চলে যায়। আর এই সুযোগে বদমাইশ আলো চুপটি করে বের হয়ে যায় অন্ধকারের বুক থেকে। এখন তার আনন্দের পালা শুরু সারাদিন ঘুরে বেড়াবে ইচ্ছা মত যেখানে সেখানে। এই না অন্ধকার জেগে যায়, এই ভয়টাও কিন্তু হয় সবসময়। তবে সন্ধ্যার আগেই মনের আনন্দে ঘুরে ঘুরে আলোটাও ক্লান্ত হয়ে যায়। দেখতে পায় আধারের ঘুম ভেঙে যাওয়া ভাব আর অস্থির চোখের পাতা। ক্লান্ত আলো তারাতারি এসে আবার ঢুকে পড়ে আধারের বুকের মাঝখানে। দিন শেষে বোকা আধারটার ঘুম ভাঙলে আবার সে তন্ন তন্ন করে খুজে বেড়ায় আলাকে। এভাবেই চলতে থাকে দিনের পর দিন আর রাতের পর রাত। কিন্তু আঁধারের আলো পাওয়ার আকাঙ্ক্ষাটা বিন্দুমাত্র কমেনা। 

- সাকিব হোসাইন


পোস্টটি ফেসবুকে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।


মূল ফেসবুক পোস্ট এইখানে। 

আরও পড়ুনঃ 
একটি গাধা ও ব্যাক্টেরিয়ার প্রেম কাহিনি (গল্প) 

অপেক্ষা নামক গল্পটি

Sunday, June 17, 2018

বিশ্বকাপ ফুটবলে কোন দেশকে সাপোর্ট করা উচিত? | Football World Cup 2018

কিভাবে আমরা খেলায় কোনো দলকে আমার সাপোর্ট করি National Geography Channel এর Brain Games নামক show তে সেইটার একটা ডকুমেন্টরি দেখেছিলাম। ইউটিউবেও সার্চ করা হলে পাওয়ার কথা। ডকুমেন্টরিটা দেখিয়ে যা বোঝানো হয়েছে তাহলো আমরা যদি নিজের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অংশীদারিত্ব ছাড়া যে দলকেই সাপোর্ট করিনা কেন খেলা খেলা শেষে ইক্টু হলেও আমরা হতাশ হব এইটা ভেবে যে কি দরকার ছিলো এমন জিনিস সাপোর্ট করার যেইটার রেজাল্টে আমার বিন্দুমাত্র কোনো লাভ-লোকসান পাওয়া গেলোনা। আমি শুধু বিনোদনের জন্য খেলা পক্ষে নই। প্রত্যেকটা জিনিস করা সেইটা খেলা দেখাইবা হোক না কেন সেইখানে শেখার কিছু থাকতে হবে। এইটা না থাকলে সেটা করা নেহাতি বোকামি ছাড়া কিছুই না। এবার আসি ফুটবল খেলা নিয়ে। আমরা খুব ভালো করে জানি যেই দেশে আমরা বাস করি সেই দেশে ফুটবলের অবস্থা কেমন। আমরা ফিফা র‍্যাংকিং এ কখনও উঠিনা। সবসময় নামি। কয়েকদিন আগে দেখলাম ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিং এ বাংলাদেশ ১৯৪ তম। এত করুন র‍্যাংকিং থেকে কখনও বাংলাদেশ ফুটবলে উঠে আসবে এবং বিশ্বকাপ খেলবে এবং সেইটা আমরা আমাদের জীবদ্দশায় দেখে যেতে পারবো বলে আমার মনে হয়না কখনও। নিজের দেশ নাই মানে একক ভাবে কোনো দলকে সাপোর্ট করার কিচ্ছু নাই ভাই। কিচ্চু নাই। যদি থাকে তাহলেই আপনি বিনোদনের জন্যই খেলাটা দেখে শুধুমাত্র নিজের Frustrations বাড়াচ্ছেন। বিনোদনের সাথে কিছু শিখতে পারছেন না। শিখতে পারলে নিজের কিছু লাভ হত। ফলে Frustration টা আসতো না। শেখার সাথে বিনোদন কিন্তু বিন্দুমাত্র কমেনা। বরং আমি বলবো প্রতিটি জিনিস করার সাথে কিছু শিখতে পারলে অনেক বেশি আনন্দ পাওয়া যায়। সেইটা বিনোদনের জন্য খেলা দেখা হোক আর কন্টেস্টে পার্টিসিপেইট করা হোউক। এখন কথা বলা যাক সাপোর্ট কোন ফুটবল দলকে করবো সেই Topic নিয়ে। যেহেতু নিজের দেশের ফুটবল দলটা বিশ্বকাপ খেলেনা কোনো বারই তাই একতরফা ভাবে একটা দলকে সাপোর্ট করা কোনো কারণ বা লজিক কোনটাই নাই। আমি নিজে ব্রাজিলকে ছোটবেলা থেকে একতরফা ভাবে সাপোর্ট করে এসেছি। বিনোদনের মেলা ঘাঠতি ছিলো তখন। গতবার যেইভাবে ব্রাজিল নিজের দেশে সেভেনাপ খেলো তারপর থেকে এমন একটা দলকে সাপোর্ট করার কোনো কারণ খুজে পাইনা। বিশ্বসেরা ফুটবল দল হয়ে যেইদল টা নিজের মাটিতে নিজের ইজ্জত বাচাইতে পারেনা তারা আর যাইহোক একতরফা ভাবে সাপোর্ট পাওয়ার যোগ্যতা রাখেনা। ইনফ্যাক্ট কোনো দলই একতরফা সাপোর্ট পাওয়ার যোগ্য না একমাত্র নিজেদের দেশের দল বা নিজের দেশের কোনো উপস্থিত প্লেয়ারের দল ছাড়া। আচ্ছা শেখার বিনোদনের কথা গেলো। সাপোর্ট কাকে করবো তাহলে? আপনি যদি বিনোদন ও শেখা দুইটাতেই সর্বোচ্চ পরিমাণ মজা নিতে চান তাহলে খেলাটাকে সাপোর্ট করুন কোনো দলকে নয়। খেলাকে সাপোর্ট করলেই আপনি নিজেই একজন ভালো খেলার ভক্ত হয়ে যাবেন। এখন ভালো খেলা আর্জেন্টিনাও খেলতে পারে। ব্রাজিলও পারে। জার্মানি তো প্রায় সব বারই পারে। এর ফলে আপনি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নিয়ে অন্তত কোন্দাকুন্দি সংক্রান্ত আজাইরা ভেলুলেস জিনিসে কম লিপ্ত হবেন। কেউ যখন জিজ্ঞাসা করবে আপনি কোন দলের সাপোর্ট করেন আপনি নির্দিধায় বলেন যে যেহুতু নিজের প্রত্তক্ষ্য বা পরোক্ষতার সুযোগ নেই তাই যেই দল ভালো খেলবে আপনি সেই দলের সাপোর্টার। যেমন আমি এইবার জার্মানিকে সাপোর্ট করছি। প্রতিবার জার্মানির মত এমন লাগাতার ভালো পারফরমেন্স ব্রাজিল-আরজেন্টিনা বা অন্য কোনো দল দেখাতে পারেনা।

সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।

২০১০ সালের কথা। আমার পছন্দের একটা স্যার ছিলো এই জার্মানির সাপোর্টার। যেহেতু আমি সবসময় নিজে অনুপ্রাণিত হতে ও অপরকে অনুপ্রানিত করতে পছন্দ করি তাই বুঝতে পারছেন স্যারটাকে পছন্দের কারণ তাঁর দেওয়া অনুপ্রেরণা যেগুলো আমার খুব ভালো লাগতো। স্যার কেনো জার্মানিকে সাপোর্ট করে এইটার উত্তর জানতে চাইলে স্যার বলে ছিলো যে তোমরা দেখবে জার্মানি সবসময় পাওয়ার ফুটবল খেলে। অর্থাৎ যত যাই ঘটুক খেলার মধ্যে তারা তাদের খেলাটাই খেলে যায় এবং প্রতি বছরই তাদের পার্ফরমেন্স এভারেজ থাকে প্রায়। এই কারনেই হয়ত ব্রাজিলের মত ৮ বার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার ভাগ্য জার্মানির হয়েছে। যদিও ব্রাজিলের বিশ্বকাপ ফাইনাল জেতার সংখ্যাটা বেশী। কিন্তু নেইমার, মেসি, রোনালদো বা রলান্দিনহো এর মতো কোনো আইকোন প্লেয়ার তাদের থাকেনা।   সেইবার ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা দুইটা দলই কোয়ার্টার ফাইনালে বাদ পড়েছিলো। কোয়ার্টারে প্রথমে ব্রাজিল নেদারল্যান্ডসের কাছে ১-২  গোলে হেরে ইলিমিনেট হয়ে যায়।

 ওজন সঠিক সীমাতে রাখার স্বাস্থ্য ভিত্তিক অ্যাপ টি প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।

 তখন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা অনেক বেশি লাফালাফি করে। যাই হোক আমরা তো সেই হুজুগে বাঙালি জাতি বুঝতে হবে। এমনি অবস্থা যে তারা আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কাছে আর্জেন্টিনা জিতার থেকে ব্রাজিলের হারই সেইখানে অনেক বেশী important। আর এর পরের দিনই আরজেন্টিনাকে ৪-১ গোলে অমানবিক ভাবে কোয়ার্টার রাউন্ডে হারিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় করে জার্মানি। তারা সেইবারো ব্রাজিলের 7up এর মতই কিইছু খেতো। কিন্তু তারা ব্রাজিলদের মত আবাল ছিলোনা অতটা। ঠিক বুঝে গিয়েছিলো যে এই ম্যাচ জেতা সম্ভব না তাই ডিফেন্সটাও বজায় রেখেছিলো স্ট্রাইকের চেষ্টাও করে যাচ্ছিলো। কিন্তু ২০১৪ সালে সেমিফাইনালে জার্মানির সাথে ২২ মিনিটে ২টা গোল খেয়ে ব্রাজিল মরিয়া হয়ে ডিফেন্সের প্লেয়ারসহ এটাক করা শুরু করে। নিজের দেশে খেলার দাপটে মরিয়া হয়ে গোল শোধ করতে যেয়ে তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে লজ্জাজনক হারটা হারে। এরপর থেকে ব্রাজিলকে সাপোর্ট করার কিচ্ছুনাই আমার কাছে। 
তাই খেলায় বিনোদনের সাথে শেখাটা বজায় রাখতে ভালো খেলে দলকে সাপোর্ট করুন। যতদিন দলটি ভালো খেলে ততদিনই সাপোর্ট করুন। 

আমার এই হিজিবিজি ব্লগের ফ্যানদের অনেক ধন্যবাদ। আলহামদুলিল্লাহ্‌ আপনারা পোস্টগুলো পড়েছেন জন্যই এত কম কন্টেন্টে এতবেশী পেইজভিউ হিট করছে। সবাই ভালো থাকবেন। জাযাকাল্লাহু খাইরুন।




আরও পড়ুনঃ কি করা উচিত? আর কি করছি.! কি ই বা করার আছে? কিভাবেই বা করা যাবে। | Motivation | Elon Musk 

নিজেকে অনুপ্রাণিত বা মটিভেট করার উক্তি সমূহ (Quotes of Motivation) 

কিভাবে আমরা আমাদের শৈশবের আনন্দ গুলো আবার ফিরে পেতে পারি?

ইসলামে পর্দা (হিজাব) সম্পর্কিত সুন্দর একটি গল্প (হালাল রোমান্টিসিজম)

পানি চর্বি বা শরীরে পানি জনিত ওজন (Water Weight in Body)

Saturday, May 12, 2018

কি করা উচিত? আর কি করছি.! কি ই বা করার আছে? কিভাবেই বা করা যাবে। | Motivation | Elon Musk



চাওয়ার মধ্যে বা কারো দ্বারা কোনো কিছু জোড় পূর্বক আদাই করে নেওয়ার মধ্যে সেই সুখ কোথায়, যেইটা নিজের জিনিস দিয়ে কিনে নেওয়ার মধ্যে আছে। হোক সেইটা ভালোবাসার দ্বারা বা টাকা-পয়সার বা নিজের অন্য কোনো সম্বল দ্বারা। তবুও নিজের দ্বারাই পাওয়াটা হোক। অপরের ওপর ডিপেন্ড না করে নিজের জিনিস দিয়ে কোনো কিছু ক্রয় করে দেখুন ভালো লাগবে। ইতিহাস সাক্ষী, টাকা দিয়ে সবসময় ওই টাকার সমতুল্য আরটিফিসিয়াল জিনিস পাওয়া গেছে। রাগ দ্বারা বার বার রাগ পাওয়া সম্ভব। কাউকে আনলিমিটেড ভালোবেসে তার থেকে রাগ বের করে দেখান। যদি বের করতে পারেন ঐটা রাগ না। রাগ নামের ভালোবাসা। ভালোবাসা দিয়ে ভালোবাসাই কিনতে পারবেন। ভালোবাসা দিয়ে টাকায় পাওয়া যায় এমন কোনো কিছু কিনতে পারবেন না। তেমনি রাগ বা কষ্ট দিয়ে ভালোবাসা পেতে চান? সেইটাও অসম্ভব। অবশ্য রাগ বা কষ্টের নামে ছদ্মবেশে ভেতরে ভালোবাসা থাকলে সেইটা ভিন্ন কথা। পড়াশুনা করে সার্টিফিকেট পাওয়া সম্ভব। চাকরি করতে হলে যোগ্যতা লাগবে বস। হোক সেইটা জ্ঞ্যানের যোগ্যতা বা পরিশ্রমের অথবা অন্য কোনো কিছুর। কিন্তু যোগ্যতা মাস্ট। গতানুগতিক পড়াশুনা করে যেই চাকরিগুলো পাওয়া যায় সেইটাও আপনার সার্টিফিকেট পাওয়ার মতই। মানে নিতান্তই আবর্জনা ছাড়া কোনো কাজের না আর কি! লক্ষ্য রাখতে হবে পড়াশুনার দ্বারা আপনি রাট্টা মেরে যাচ্ছেন নাকি সত্যিই জ্ঞ্যান অর্জন করে কিছু শিখে যাচ্ছেন। যদি রাট্টা মেরে যান বা পরীক্ষায় পাস করার জন্য পড়ে থাকেন তাহলে পরীক্ষা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই শেষ হয়ে গেল আপনার পড়াশুনা। তাই এই পড়াশুনা দিয়ে ক্রিয়েটিভ চাকরি পাওয়া near to impossible প্রায় অসম্ভব আরকি!! কি? ওহ আচ্ছা জ্ঞ্যানার্জনের জন্য পড়াশুনা করেন। For Learning purpose only? ওয়াও। আচ্ছা আপনাকে একটা প্রশ্ন করি। আপনি পারবেন সারাজীবন শুধু নিজে জ্ঞ্যান অর্জন করে যেতে? শুধু এইটাতেই সন্তুষ্ট থাকতে? অথবা শুধু নতুন কিছু জানলেই কি আপনার প্রয়োজন শেষ? তাহলে আপনাকে স্বাগতম। আপনার জন্যই পড়াশুনা। এইটা করলেই জীবনে স্যাটিস্ফাইড থাকবেন হয়ত। একদিন হয়ে যেতে পারেন বড় সাইন্টিস্ট অথবা খ্যাতিমান কোনো ব্যাক্তি (Depends on what have you study in your life)। আমাদের সময় এস.এস.সি অথবা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত  প্রায় অনেকেই এমন পড়াশুনাটা করতো যেইটাতে জানার অনেক বিষয় ছিলো পড়তে ভালো লাগতো। যদিও এখনকার পোলাপাইনদের অনেকেরি সেইটাও নাই। পড়া লাগে তাই পড়ে যাচ্ছে। যাতে রেজালটের পরে বলতে পারে "I am G.P.A 5" হু হা হা। তারা জানেওনা তাদের এই আনন্দটার আর ৪-৫ বছর পরে কি পরিণতি হতে চলেছে। সবার চলার রাস্তাতে ভুল থাকাটা স্বাভাবিক। ছোট বেলা থেকে কিছু সময় হয়ত সঠিক রাস্তা দিয়েই হাঠতে থাকি আমরা। কিন্তু পরিবেশ বা আমাদের আশেপাশের সুশীল সমাজের জন্য পথ টা হারিয়ে ফেলে। এই হারানো পথটি খুজে পাওয়াও অনেক সহজ। কিন্তু একবার দৌড় প্রতিযোগিতায় লেগে গেলে সঠিক পথ বের করা কঠিন। Race এর ট্র্যাকেই সবাই ছুটতে থাকে তখন। নিজের খুশি থাকা কে প্রায় ভুলে যায়। ক্ষনস্থ্যায়ী আনন্দকে আপন করে নেয়। একটা রেস শেষতো আরেকটা শুরু। Race টা থামান ভাই নিজে কি করছেন কেন করছেন সেইটা আগে জানুন এবং বুঝুন। আপনার কাজের সঠিক Motive খুজুন। 

সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।
 
এস.এস.সি অথবা ইন্টারে সাইন্সে পড়ছেন? সাইন্সের মজা লুটুন ইচ্ছা মত। ইজ্জট টাও লুটুন। কেউ বাধা দিবেনা। নিউটনের সূত্র পড়ে দুই একটা আপেল, কমলা বা এটলিস্ট পেয়ারা নিজের মাথায় ফেলে দেখুন। হতেও পারে নিউটন সূত্রটি আবিষ্কার করে যেই মজা টা পেয়েছিলেম আপনি তার পুরোটাই বা কাছাকাছি মজা পাচ্ছেন। আর ভার্সিটিতে উঠে পড়াশুনায় মগ্ন থাইকেন না। অন্তত বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে পড়াশুনা দ্বারা জ্ঞ্যান ভিক্ষা হবেনা। সেইখানে অন্ন ভিক্ষা হতে পারে। শুধু অন্নই হবে কিন্তু। অন্য কিছু পেতে হলে নিজের Motive অনুযায়ী যেকোনো কাজ করুন। ঐ কাজটি করুন যেইটাতে আপনার Talent আছে। ট্যালেন্টারে আবার ভুল বুইঝেন না। আপনার একটা ট্যালেন্ট আছে সেইটা আমার নাই এইটা একান্তাই ভ্রান্ত একটা ধারণা। লাইক কুসংস্কার। যেইখানে আমাদের আজাইরা কিছু জিনিসপাতির প্রতি অগাধ বিশ্বাস থাকে যেইটা নিতান্তই অযুক্তিক বা ফেইক। Talent জাস্ট দুইটা ফ্যাক্টর ছাড়া কিছু না। nothing!! ১ হলো আপনার কাজটা করতে কেমন লাগে + ২ হল আপনি সারাজীবন সেই কাজটি করে সুখী হবেন কি না। যদি এমন একটা কাজ আপনার কাছে থাকে (অবশ্যই পজিটিভ কোনো কাজ যেইটা সমাজ accept করবে) এবং কাজটি এমন যে সেইটা করতে দিলে আপনি দিনের পর দিন রাতের পর রাত করে যেতে পারবেন কিন্তু বিরক্ত আসবেনা। এইক্ষেত্রে কিন্তু সখের জন্য করে যাওয়া কিছু কাজ বা মনের আনন্দ যেমন ভিডিও গেইমস খেলে সময় টা কোনোরকম কাটানোর মত কাজ select করা যাবেনা। আর মজার জিনিসটাও আসলে ক্ষণস্থায়ী। পারবেন দিনরাত ২৪ ঘন্টা games খেলে যেতে। পারলে ঐটা সখ না নেশা হয়ে গিয়েছে আপনার। আর নেশা তখনোই হয় যখন আপনি কোনো একটা জিনিস নিয়ে খুব বেশী বিষণ্ণ এবং sei depression থেকে বাঁচতে নিজেকে আনন্দ দেওয়ার কাজে ব্যস্ত থাকছেন গেইমস খেলে। নেশা খুব দ্রুত ত্যাগ করতে হবে যদি জীবনটা রক্ষা করতে চান। আর যদি সখটা শেখার মাধ্যমে আয়ত্ত করে থাকেন (Like Gardening) তাহলে ঠিক আছে। বুঝলাম তাহলে আপনার বাগান করতে ভালো লাগে। এখনই আসলো দ্বিতীয় প্রশ্ন। আপনি কি পারবেন সারাজীবন এইকাজটা করে যেতে বা এইটাই কি আপনার সেই সখ যেইটা আপনি সারাদিন করে ক্লান্ত হননা পারলে সারারাতও করবেন এবং কাজ শেষে আপনি খুশি হলেও আপনার মধ্যে কাজটা আরও সুন্দর করার তীব্র ইচ্ছা আছে। তাহলে এইটাই আপনার ট্যালেন্ট। এইটাই আপনার Passion। এইদিকে আগান। সৃষ্টিকর্তা চাইলে অবশ্যই সফল হবেন এই কাজে। না সফল হলেও দিন শেষে, মাস শেষে অথবা এমন কাজ করে বছর পার করলেও আপনার আফসোস হবেনা যদি অন্যকে দেখে কাজ করার বদঅভ্যাস টা না থাকে।আর যদি এসব কোনো কারনে আফসোস হয়ে যায় তাহলে এইটা আপনার ট্যালেন্ট কিন্তু আপনি এই ব্যাপারে আর প্যাশানেট না। এইটাতে আপনার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু আপনার প্যাশানটি হারিয়ে ফেললেন। ট্যালেন্ট খুজে বের করার পর যদি আপনার কাজের প্যাশানটা এভাবে হারিয়ে যায় তাহলে আপনার প্যাশানটি ফিরে পেতে বিজনেস শিখুন। দেখুন যেই প্রডাক্টিভ কাজটা আপনি করছেন সেইটার মার্কেট প্লেস্টা কেমন বাজারে। আর যদি আপনি আপনার ট্যালেন্ট টাকে একদমি খুজে না পান তাহল কোনো প্রোডাক্টিভ বিজনেস আইডিয়া বের করেন। Let's be a businessman dude! এইটাতে বিরক্ত হয়না লোকজন সাধারণত। আসলে এইটায় মজা পেয়ে গেলে bore হওয়া কঠিন। কিন্তু মজাটা কাজে পেতে হবে। টাকায় মজা পেলেই যেইটুকু পাইছেন ঐটুকুতেই আটকে যাবেন আর যোগ্যতাটা লিমিটেড করে ফেলবেন। যোগ্যতা লিমিটেড মানে কাজটাও লিমিটেড। আর কাজ লিমিটেড মানে টাকাটাও লিমিটেড। How Pathetic!! Isn't it ? টাকার মজা সারাজীবন পাইতে হলে কাজের মজাকে আপন করে নিতেই হবে এবং কাজের মজাকে টাকার মজা থেকে উপরে রাখতে হবে Always.


তো করতে চান ব্যবসা? Entrepreneur হবেন? চলেন তাহলে কোনো প্রাইভেট ভার্সিটিতে বিবিএ তে ভর্তি হই। ৪-৫ বছর পড়াশুনা করে BBA, MBA complete করি। এরপর বড় Businessman হয়ে যাই?  কি মনে হয় সম্ভব এইটা? বলেন? এইটাও অসম্ভব অনেকটাই। ইনফ্যাক্ট ৯৯ পারসেন্ট সম্ভাবনাও নাই। ইতিহাস এখানেও সাক্ষী বিশ্বের টপ বিজনেসম্যান বা ইন্টারপ্রেনরদের মধ্যে একটিও বিবিএ এর লোকজন নাই। চাইলে খোঁজ নিয়ে দেখেন কয়টা সফল ব্যবসা প্রশাসনের লোকজন সফল বিজনেসম্যান? আচ্ছা সফল বাদ দেন, দেখেন কয়টা ব্যবসিক আছেন Business Administration এর লোকজনদের মধ্যে? পাইছেন খুইজা? পাননি। পাইলেও হাতে গোনা কয়েকজন হবে। দুই একটা যদিও থাকে তাহলে তারা ঐটাতে পড়াশুনা করে ব্যবসা করতে আসেননি। Business  দ্বার করিয়ে পড়াশুনা করেছেন যাতে বিজনেসটা অরোও ভালো এবং বড় করতে পারেন তারা। এই পড়াশুনা তাদের কাজে লাগছে। কেন? কারন এইখানে পড়াশুনার মটিভ টা পরীক্ষা দেওয়া না বস, তাদের প্যাশান, যেইটার জন্য তারা সবকিছু ত্যাগ করেছেন। এতই passionate তারা যে কাজটা আরও বেটার করার জন্য পড়াশুনা করেছেন। এইখানে পড়াশুনা কাজ করবে। আর আপনি পড়েন পরীক্ষায় পাস করতে? হাহ!

ওজন সঠিক সীমাতে রাখার স্বাস্থ্য ভিত্তিক অ্যাপ টি প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।

 তাই দিন থাকতে পথ দেখুন। আর সব মানুষ যা করছে আপনি তা করবেন না। কখনই না। নিজের Satisfaction টা বুঝুন। না বুঝতে পারলে খুজুন। আপনার চিন্তা করার শক্তি আছে আপনি ভেড়া না যে কয়েকটা ভেড়া একদিকে দৌড় দিলো দেখে আপনিও ঐদিকে দৌড় দিবেন। আপনি মানুষ এবং আপনার চিন্তার শক্তির কোনো লিমিটেশন নাই। Limitless চিন্তা করুন। লোকজন পাগল ভাববে? ভাবুক। আপনি জাস্ট বলে দেন হ্যা আমি পাগল আমার কাছে থেকে দূরে সর। টপ রেটেড যত মানুষ পৃথিবীতে আছে খোঁজ নিয়ে দেখবেন। সবাই পাগল। Elon Musk কে চেনেন? এক্স ডট কম এর ফাউন্ডার, রকেট সাইন্টিস্ট। জানেন এই এক্স ডট কম কী? এইটা হলো বর্তমান পেপাল। ১২ বছর বয়স থেকে এই মানুষটা প্রোগ্রামিং শুরু করেছেন এবং তার রকেট সাইন্সের কোনো প্রতিষ্ঠানিক জ্ঞ্যান নেই। তিনি নিজে নিজে বই পড়ে পড়ে আর অনলাইনের তথ্য থেকে রকেট সাইন্স শিখেছেন। আপনি কোনো প্রযেক্ট থেকে ১৬৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৩০০ কোটি টাকা আসে তাহলে আপনি কি করবেন। আপনার কি মনে হবে নতুন কোনোকিছু শিখে এই বিপুল পরিমাণ টাকা সেইটার প্রতি ইনভেস্ট করি? অবশ্যই চাইবেন না সেইটা। এইটা পাগলের কাজ। আপনি তো আর পাগল না। কিন্তু ইনি সেই পাগল যিনি পেপাল এর সিইও এর পদ ছেড়ে ১৩০০ কোটি টাকা পেয়ে সবগুলো টাকা দিয়ে টানা তিন তিন বার তার নতুন রকেট ব্যবসাতে ইনভেস্ট করেন এবং তিন তিন বারই সফলভাবে লোকসান করেন। সফলভাবে কেনো? কারণ এইতিন বারে তিনি তার সব টাকা বিসর্জন দিলেও ৪র্থ বার শুধু সফলই হন না বরং লোকজনকে তাক লাগিয়ে রকেট মহাশূন্যে পাঠান এবং এটিকে আবার সফলভাবে ফিরিয়ে মাটিতে সেইফ ল্যান্ডিং করান এবং নাসার রকেট বহনের খরচ প্রায় ১০ ভাগ কমিয়ে দেন। এরপরেই তিনি নিজের রকেট কোম্পানি স্পেস এক্স নির্মান করেন। বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এই স্পেস এক্স এর হাত ধরেই তার কক্ষপথে নিক্ষিপ্ত হলো।
হিন্দি কথা বুঝে থাকলে তাকে নিয়ে করে বিবেক বিন্দ্রার এই ভিডিও টা দেখতে পারেন।


জীবনের প্রতিটি ধাপ থেকে শিক্ষা নিন। জীবন শুধু অন্যের দোষ ধরার আর নিজের দোষ ঢেকে সরকারকে চাকরি না দেওয়ার দোষ দেওয়ার জন্য নয়। ইলন মাস্ক আপনার আমার মতই মানুষ। শুধু আপনার আমার চাই তার মত সৎ সাহস। পাগল হতে হবে বস পাগল। পাগল ছাড়া দুনিয়া চলবেনা। আরও অনেক পাগলের দরকার এখন এই পৃথিবী তে। কোনো চেঞ্জ আনতে হলে নিজের উপরে আগে আনতে হবে। চেঞ্জ এমনি এমনি আসবেনা। স্পেস এক্স এর পরে তাকে আর কোনো লোকসানের হিসাব গুনতে হয়নি। ১৯.৭ বিলিয়ন ডলারের মালিক এখন তিনি। কিন্তু এখনো হয়তো যেকোনো সময় তিনি এত টাকা আবারও বাজি ধরতে পারেন পৃথীবিতে নতুন কোনো চেঞ্জ আনতে। কি আর করবে ভাই সে তো আমার আপনার মত সাধারণ লোক নয়। একজন মেন্টাল। পরিবর্তন চেয়ে আগে নিজে পরিবর্তিত হয়ে পরিবেশ টাই বদলে দেওয়া এমন হাজার সফল মানুষের কাহিনী ঘেঁটে প্রমান দেখতে পারেন তাদের সাফল্যে আসার পথটি প্রায় একই রকম। হয়তো ইলন মাস্ক তাদের থেকে কিছুটা ডিফারেন্ট। কিন্তু অনেকাংশ মিল তো থাকবেই। তার একটা উক্তি ছিলো, "I don't do what can be done. I do what is needed to be done" অর্থঃ আমি সেইটা করিনা যেইটা করা যায়, আমি সেইটাই করি যেইটা করা প্রয়োজন। অবাক হচ্ছেন? হওয়ারি কথা। আপনিতো বাচ্চা ছেলের মত অবুঝ না বা ইলন মাস্কের মত Mental পাবলিক না। তবে পাগল হন। মজা পাবেন। টাকা না আসুক মজা পাবেন। দুনিয়া হাসবে কিন্তু আপনি মজা পাবেন এইটা শিওর। কারণ পাগলরা সফল হোক আর বিফল। সে মজায় থাকে সবসময়। তার মজারও কোনো লিমিটেশন নাই। ভুলে যাবেন না তারাই আপনার দুনিয়াটা সাজায় যেইটাতে আপনি ক্ষণিকের সুখটা পাচ্ছেন।

তথ্যসুত্রঃ https://en.wikipedia.org/wiki/Elon_Musk, ইউটিউব এন্ড ফেইসবুক।

Share This post with your friends on Facebook.


আরও পড়ুনঃ

১। সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ (SleepyTube)

২। নিজেকে অনুপ্রাণিত বা মটিভেট করার উক্তি সমূহ (Quotes of Motivation)

৩। যে কারণগুলো একজন ব্যক্তিকে পর্ন দেখতে বাধ্য করে

৪। কিভাবে আমরা আমাদের শৈশবের আনন্দ গুলো আবার ফিরে পেতে পারি

৫। জাপানিজদের সফল হওয়ার মতবাদ (Theory Of Japanese)



Thursday, May 3, 2018

Android Bangla Information: What is Proguard? | প্রোগার্ড কী?

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপ করে রিলিজ করার সময় সবথেকে বেশি যেই জিনিসটির ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত তাহলো আপনা অ্যাপের safety বা নিরাপত্তা। এপ বানানোর পরে এপটি মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম (Android OS) এ চলার জন্য সবগুলো ফাইল(Java Class, Images, XML Designs or Layouts etc)  অ্যান্ড্রয়েড প্যাকেজ ফাইল বা apk ফাইলে এনক্রিপ্টেড হয়ে যায়। কিন্তু ভেতরের কোডগুলো encrypted হয়না। আর এই এনক্রিপ্ট করা এপিকে ফাইলটি খুব সহজে decrypt করা যায়। এর ফলে যেকোনো হ্যাকার আপনার অ্যাপ এর সব ফাইল গুলো খুলতে পারে এবং আপনার সমস্ত কোড যেগুলো encrypt করা নেই সেইগুলো দেখে নিতে পারে বা সেইখান থেকে কপিও করে নিতে পারে। আমরা সবসময় আমাদের কোড এমনভাবে লিখি যেন পরে আপডেট করার সময়  কোডগুলো দেখে আমরা বুঝতে পারি যে আসলে কি করেছিলাম এইখানে। ফলে হ্যাকাররাও বুঝে যাবে কোড দেখে যে আপনি আপনার অ্যাপ এর কোন কাজের জন্য কোন কোড কিভাবে implement বা বাস্তবায়ন করেছে। সুতরাং আপনার অ্যাপ টি পাইরেট হয়ে গেলো। আপনি নিশ্চই সেইটা চান না।

সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।

এটি যেন না হয় সেইজন্য Android Studio তে ডিফল্ট ভাবে প্রো-গার্ড (proguard) নামের একটা পদ্ধতি দেওয়া আছে যেইটা ব্যবহার করলে আপনার কোডগুলো সব এমন সাংকেতিক কিছু কোডে রূপান্তরিত হবে যেন সেইটা দেখে কখনোই বুঝা না যায় যে আপনি সেইখানে কি করেছেন। যেমন মনে করুন আপনি আপনার অ্যাপ এ ইউজারকে একটি ঘড়ি দিয়েছেন যেটাতে অ্যাপ ব্যাবহারকারী এলার্ম সেট করতে পারবে। এখন user input অনুসারে আপনার সেইখান থেকে মিনিট ও ঘন্টাক উভয়কে মিনিটে রূপান্তর করে রিটার্ন করে আপনি এলার্ম সেট করার কাজ করেছেন। আর আপনি যোগের ফাংশন লিখেছেন এইভাবে-

public int getTimeInMinutes( int hours, int minutes){
 int totalMinutes = hours*60 + minutes;
 return minutes;
}

 এখন আপনি যদি আপনার এপে প্রোগার্ড ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এই ফাংশন্টি ও ফাংশনের ভেরিয়েবলগুলো পরিবর্তিত হতে পারে এইভাবে, 

public int xyshb(int shdba, int askjdh){
int sadjkn = shdba*60 + askjdh;
 return sadjkn;
}

এই কোডটিতে কিসের জন্য কি কাজ করা হয়েছে তা নিঃসন্দেহে একজন হ্যাকারের বুঝতে অনেক কষ্ট হবে। Proguard ব্যবহার করলে আপনার অ্যাপ এ যদি কয়েক হাজারটা ক্লাস এবং ফাংশান থাকে, তাহলেও এটি সবগুলো ক্লাসের সবগুলো ফাংশনকে এইভাবেই encrypted করে দিবে। এবং এটি ডিক্রিপ্ট করার জন্য কোনো সফটওয়্যার বা টুলস (tools) গুগল বানায় নি। ফলে এটি ডিক্রিপ্টেড করা অতটা সহজ নয়।

ওজন সঠিক সীমাতে রাখার স্বাস্থ্য ভিত্তিক অ্যাপ টি প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।

আর proguardf implement করাও অনেক সহজ।
আপনার শুধু অ্যাপ এর গ্র্যাডেল ফাইলে যেয়ে built types এর ভেতরে release এ যেয়ে  useproguard true লিখে দিতে হবে। নিচে Screen Shot দেখুন।

PC Screenshot
PC Screenshot














আরও পড়ুনঃ

১। সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ (SleepyTube)

২। নিজেকে অনুপ্রাণিত বা মটিভেট করার উক্তি সমূহ (Quotes of Motivation)

Friday, April 20, 2018

সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ (SleepyTube)

Play Store App Logo
App Logo

Don't understand Bengali?
Read Here in English.

আমি ভোরে উঠা ব্যাক্তি নই, না আমি বদ্ধ ব্যাক্তি। বছরের পর বছর আমি বিভিন্ন পদ্ধতিতে চিন্তা করেছি যাতে নিজেকে সঠিক সময়ে ঘুম থেকে জাগাতে পারি এবং দমাতে পারি দীর্ঘস্থায়ী অধিক ঘুমের পালাকে যা আমাকে স্কুলজীবন থেকে জর্জরিত করে রেখেছে। কিন্তু নানা ধরণের এলার্ম ঠিক করে রাখা বৃথা প্রমানিত হয়। আমি আমার মা, ভাই ও বন্ধুদের কে ঘুষ প্রদানের চেষ্টা করেছি যাতে তারা আমাকে ডাকবে যখন তারা ঘুম থেকে উঠবে এবং নিজেকে বিছানা থেকে উঠানোর জন্য বিছানার নিচে লুকিয়ে রেখেছি অ্যালার্ম ঘড়ি। কোনো কিছুই এক দুইদিনের বেশি কাজ করতো না। অবশেষে ঘুমের ৯০ মিনিটের চক্রের কথা জানার পরে এমন একটা অ্যাপ বানানো শুরু করি যেইটাতে চক্র মাফিক ঘুমানোর জন্য বা ঘুম থেকে ওঠার জন্য উপযুক্ত সময় পাওয়া যাবে।

App Banner
App Banner


 এটি নিরপেক্ষভাবে একটি অনাবৃত ধড়। অভিনাব অ্যাপের তুলনায় বেশ ছিমছাম একটি ওয়েব হ্যাক। এর ব্যবহারও অনেক সহজ সিম্পল। আপনার শুধু বলে দিতে হবে আপনি কোন সময়ে ঘুম থেকে উঠতে চান। হিউম্যান স্লিপ সাইকেল বা মানুষের ঘুমের চক্র বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৯০ মিনিটের হয়ে থাকে এবং এই চক্রগুলোর মাঝে জেগে ওঠাকে সহজ মনে করা হয়। অ্যাপ টি আপনার ঘুমিয়ে যাওয়ার সময় থেকে ৯০ মিনিট করে প্রত্যেকটি চক্র পরিমাপ করবে। আপনি ঘুমানোর সময় বলে দিলে এটি আপনাকে মোট ৭ টি চক্রের মাঝের জেগে উঠার সময় বলে দিবে আপনি চাইলে এলার্ম ও দিয়ে রাখতে পারবেন এই সময়গুলিতে। আবার আপনি যদি ঘুম থেকে ওঠার সময় নির্দিষ্ট করে থাকেন তাহলে সেই নির্দিষ্ট সময়ের প্রেক্ষিতে ঘুমের চক্র পরিমাপ করে এটি আপনাকে আপনার ঘুমানোর জন্য নির্দিষ্ট সময়কাল বলে দিবে। নির্দিষ্ট সময়ের যেকোনো টাইম স্লটে আপনি ঘুমিয়ে গেলে জেগে উঠার পর নিজেকে অনেক সতেজ চিন্তাহীন ও উজ্জীবিত মনে করবেন আশা করি।

অ্যাপ লিংকঃ  https://play.google.com/store/apps/details?id=com.blogspot.sakibhs.helptube

আরো ফ্রি অ্যাপ ব্যবহার করতে নিচের লিংক এ যান অথবা বাটোনে এ ক্লিক করুন। 




 https://play.google.com/store/apps/dev?id=5474137946144630162


Preview Screenshot 1
Preview Screenshot 1

Preview Screenshot 1
Preview Screenshot 2

Preview Screenshot 2
Preview Screenshot 3

Preview Screenshot 4
Preview Screenshot 4

Preview Screenshot 5
Preview Screenshot 5

Preview Screenshot 6
Preview Screenshot 6


আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিন। 

Friday, April 6, 2018

Deyale Deyale By Miner Rahman Lyrics are in both Bangla and English


minar

Deyale Deyale is a super hit song of Natok Tomar Amar Prem. The song is sung by Singer Miner Rahman in which Siam and Ognila are main casts.

Bangla Lyrics:


বলোনা, কেন তুমি বহুদূর, কেন আমি একা, হৃদয়ে ভাঙচুর
জাননা, তুমি হীনা এ আমার, স্বপ্ন মেঘে ঢাকা, নামে না রুদ্দুর।।x2


দেয়ালে দেয়ালে, খেয়ালে খেয়ালে, হিসেবে বেহিসেবে, তোমাকেই খুঁজি,
আড়ালে আড়ালে, কোথায় হারালে, ফিরে তুমি আর, আসবেনা বুঝি।

কতরাত, কেটে গেছে আঁধারে, নেই তো ভোরের দেখা, বোঝাবো কিভাবে,
কতঘুম, মিশে গেছে অজানায়, জানে শুধু দুচোখ, ভুল সে স্বভাবে।
দেয়ালে দেয়ালে, খেয়ালে খেয়ালে, হিসেবে বে হিসেবে, তোমাকেই খুঁজি,
আড়ালে আড়ালে, কোথায় হারালে, ফিরে তুমি আর আসবেনা বুঝি।

তবুও আমি, তোমার অপেক্ষায়, দেখব, নতুন দিনের আলো,
বেঁচে থাকার, আশ্রয় তুমি, তোমাকে শুধু বাসি ভালো।

দেয়ালে দেয়ালে, খেয়ালে খেয়ালে, হিসেবে বেহিসেবে, তোমাকেই খুঁজি।
আড়ালে আড়ালে, কোথায় হারালে, ফিরে তুমি আর, আসবেনা বুঝি।

বলোনা, কেন তুমি বহুদূর, কেন আমি একা হৃদয়ে ভাঙচুর
জানো না, তুমিহীনা এ আমার, স্বপ্ন মেঘে ঢাকা, নামে না রুদ্দুর।

Lyrics in English:

Bolona Keno Tumi Bohudur
Keno Ami Eka Hridoye Vangchur
Jano Na Tumi Hina E Amay
Shopno Meghe Dhaka Name na Roddur

Deyale Deyale Kheyale Kheyale
Hisebe Behisebe Tomakei khuji
Arale Arale Kothay Harale
Fire tumi aaR ashbe na Bujhi

Koto raat Kete geche Adhare
Neito bhorer Dekha Bojhabo Kivabe
Koto Ghum Mishe Geche Ojanay
Jane Sudhu du Chokh bhul se Shobhabe

Deyale Deyale Kheyale Kheyale
Hisebe Behisebe Tomakei khuji
Arale Arale Kothay Harale
Fire tumi aaR ashbe na Bujhi

tobu ami tomar opekkhaye
dekhbo notun diner aalo
beche thakar ashroy tumi
tumake sudhu bashi valo

Deyale Deyale Kheyale Kheyale
Hisebe Behisebe Tomakei khuji
Arale Arale Kothay Harale
Fire tumi aar ashbe na Bujhi




 আরও দেখুনঃ সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ (SleepyTube)

Despacito (দেস্পাসিতো) Main Song in Bangla (Bengali) Lyrics

Tuesday, March 20, 2018

হালতির বিল পাটুল, নাটোর নলডাঙ্গা (Mini Cox's Bazar Of Bangladesh)

patuler rasta

"প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের এই বাংলাদেশ" ছোটবেলার মুখস্থ করা বিভিন্ন রচনা স্বদেশ প্রেম, বাংলাদেশের রূপবৈচিত্র, আমাদের দেশ, ঋতুবৈচিত্রের বাংলাদেশ, ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ ইত্যাদি প্রায় সব রচনার প্রথম লাইনেই এই কথা অবশ্যই লিখা থাকত। কারোরই ছোটবেলায় দেশটাকে ঐভাবে দেখার ভাগ্য হয়না তেমন। রচনা মুখস্থ করে তেমন জানা না গেলেও এখন এই বাক্যের কথাগুলো অনেকেই অনুধাবন করতে পারি আমরা। কিন্তু সেই সৌন্দর্যের লীলাভূমি দেখতে হলে নিজের চোখ বা দৃষ্টিভঙ্গি টাও সুন্দর হতে হবে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বা মনের চোখ টা সুন্দর হলেই হয়ত আমরা এই দেশটার আসল সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবো। অথবা অনেকে তাদের এই জন্মভূমি কে দেখেও নিজের চোখের সৌন্দর্য বাড়াতে পারেন। চোখ সুন্দর না হলে এগুলো দেখে চোখের সৌন্দর্য নিয়েও আসতে পারেন। এইদেশটাকেই সবসময় আমরা দেখি (সুন্দরভাবে) তাই হয়ত আমার এত সুন্দর মনে হয়। অথবা যারা দেখে দেখে অতিষ্ট তাদের কাছে হয়ত অত সুন্দর লাগেনা। কিন্তু সবার চোখেই সৌন্দর্য টা ধরা পরবে যদি আমাদের দেখার অভ্যাস টা সুন্দর হয়। অন্তত যাদের কোনো কিছুর আর্টিফিশিয়াল বা বস্তুগত রূপ অতটা পছন্দ না তাদের কাছে সহজেই সৌন্দর্য টা ধরা পড়ার কথা। আর যাদের অস্থায়ী বা বস্তুগত সৌন্দর্য পছন্দ তাদের পছন্দ টাও অস্থায়ীই হয় যা পরিবর্তনশীল। কিন্তু তাদের পছন্দের পরিবর্তন টাও বেশীরভাগ সময় বস্তুগতই হয়ে থাকে। 


Blog Photo
Sunset @Patul


সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।

প্রাকৃতিক বা ন্যাচারাল সৌন্দর্য তাদের মনে জায়গা করতে পারেনা তেমন। বিশ্বাস করুন, আল্লাহ্‌ আপনাকে যেই জন্মভূমিতে পাঠিয়েছেন সেইটা আপনার কাছে ভালো লাগতে বাধ্য। এমনকি আমার মনে হয় নিজের জন্মভূমির থেকে সুন্দর আর কোনো জায়গা কারোর কাছে অধিক সুন্দর হতে পারেনা। বাংলাদেশ টা অনেক ছোট হওয়া স্বত্বেও মাতৃভূমির সব আকর্ষনীয় জায়গাগুলো দেখার সৌভাগ্য হয়নি আমার। কিন্তু আজ পর্যন্ত নিজ ভূমির যত জায়গাই দেখেছি (কৃত্তিমতা ছাড়া) কোনোটাই খারাপ লাগার মত না। ইভেন খুব বেশি ভালো লাগার আর মনে ধরার মত আমাদের দেশের জায়গা গুলো। 


সাল টা ২০১১।
নিজ জেলা নাটোরে হওয়াতে সহজেই পরিবারের সাথে যাওয়ার সুযোগ হয় নলডাঙ্গার পাটুল নামক জায়গার, হালতির বিল নামে পরিচিত এই বিলটিতে। জেলার এমনকি দেশের অনেক জায়গায় এই বিলকে মানুষ মিনি কক্সবাজার নামেও চিনে। 

সুবিশাল এই বিলের প্রধান আকর্ষন এর একদম মাঝামাঝি দিক দিয়ে দুইগ্রামের মানুষের সংযোগ রক্ষার জন্য নির্মিত একটি পাকা রাস্তা। 
রাস্তার দুইদিকের বিস্তৃত এমন সুন্দর ও ঈষদচ্ছ পানি দেখে আপনি মুগ্ধ হতে বাধ্য। এখানে নৌকায় ঘুরাও দেশের অন্যান্য জায়গার নৌকাভ্রমণের থেকে তুলনামূলক অনেক সস্তা। 
খুব কম খরচের একটা ট্যুর যেখানে আপনি প্রকৃতির এমন সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।


একজন নাটোরবাসী হিসেবে আমি আপনাকে স্বদরে আমন্ত্রন জানাচ্ছি। :)


সাকিব হোসাইন

ব্লগ ছবি
২০১১ তে হালতির বিল পাটুলে তোলা আমার ছবি
কিছু প্রশ্ন ও উত্তরঃ
১। কিভাবে যাবো নাটোরের পাটুলে?
উত্তরঃ দেশের যেকোনো জেলা থেকে নাটোরের ০ পয়েন্ট বা মাদ্রাসার মোড়ে এসে অটো, সিএনজি, প্রাইভেট কার, মটরসাইকেল ইত্যাদি ছোট গাড়িতে করে যেতে পরবেন। যাতায়াতের রাস্তা বেশ ছোট তাই বাস যেতে পারবেনা।

ওজন সঠিক সীমাতে রাখার স্বাস্থ্য ভিত্তিক অ্যাপ টি প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।


২। নাটোরে পাটুল সহ অন্যান্য দর্শনিয় স্থান কি কি?
উত্তরঃ নাটরে পাটুল ছাড়াও অন্যান্য অনেক দর্শনীয় স্পট আছে। যেমন বঙ্গজল রাজবাড়ী, দিঘাপতিয়া গণভবন, অদূরেই আছে পুঠিয়ার আরেকটা রাজবাড়ি।


৩। নাটোরে ট্যুরে যেতে খরচ কেমন হবে? 
উত্তরঃ দেশের বিভিন্ন জায়গা বা জেলা থেকে নাটোরে আসার ভাড়া বিভিন্ন হবে। বা বাস রিজার্ভ করলেও বিভিন্ন যায়গা থেকে ভাড়া ভিন্ন ভিন্ন হবে। নাটোরে সদর আসার পরের খরচের কথা বলা যেতে পারে। অন্যান্য যেকোনো ট্যুর স্পট এর তুলনায় নাটোরে এসে তেমন খরচ হবেনা। শহর থেকে সব জায়গা অটো/সিএনজি তে যাওয়া যায়। অটো ভাড়া রাজবাড়ী ও গণভবনে ১০ টাকার মত লাগবে জনপ্রতি। রাজবাড়িতে ঢুকতে জনপ্রতি টিকিট ১০ টাকা এবং গণভবনে ঢুকতে জনপ্রতি ২০ টাকা লাগে।(সময় স্বাপেক্ষে টিকিটের মূল্য বাড়তে পারে)
হালতির বিল (পাটুল) , স্টেডিয়াম পার্ক এবং পুঠিয়া রাজবাড়ীতে ঢুকতে কোনো টাকা লাগেনা এখন পর্যন্ত। আসার আগে খোঁজ নিয়ে আসুন।


৪। নাটোর থেকে পিকনিক ট্যুর স্পট গুলোর দূরত্ব কত কত?
উত্তরঃ নাটর মেইন শহর থেকে আকর্শনীয় সব পিকনিক স্পটের দূরত্ব অনেক কম। যেমনঃ বঙ্গজল রাজবাড়ী, যেতে জিরো পয়েন্ট বা মাদ্রাসার মোড় থেকে ৫ মিনিটের মত লাগে অটোতে, এছাড়াও স্টেডিয়াম শিশুপার্ক আর দিঘাপতিয়া রাজবাড়িতেও ৫-১০ মিনিট লাগবে অটোতে। কিন্তু পাটুল বিল টা নল্ডাংগা উপজেলায় হওয়ায়, যেতে অটোতে প্রায় ৩০-৪০ মিনিট লাগে অটোতে, সিএনজি, বা প্রাইভেট কার এ গেলে সময় কম লাগবে। আর পুঠিয়া রাজবাড়িতে রাজশাহীর বাসেই যাওয়া যায়। যেতে ২৫-৩০ মিনিট লাগবে বাসে।


৫. নাটোরের পিকনিকের স্থান গুলো কয়টা পর্যন্ত খোলা থাকে?
উত্তরঃ রাজবাড়ীগুলো আর গণভবন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। পাটুলে থাকার জন্য কোনো সময়সীমা বা লিমিটেশন নাই। কিন্তু সন্ধ্যার আগেই চলে আসা ভালো।

এছাড়া আরো প্রশ্ন থাকলে পোস্টের কমেন্ট সেকশনে জানাবেন। :)   





আরও পড়ুনঃ  
দার্জিলিং শহরে ৪ দিনের ভ্রমন 


আমাদের স্বাস্থ্য ভিত্তিক অ্যাপ টি প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।

অ্যাপ


অ্যাপটি সম্পর্কে আরও জানতে নিচের পোস্ট টি পড়ুন।
ডায়েট অ্যাপ রিভিউ BMI & BMR

গুরুত্বপূর্ন পোস্ট ও অ্যাপ পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিন।

Sunday, March 4, 2018

নিজেকে অনুপ্রাণিত বা মটিভেট করার উক্তি সমূহ (Quotes of Motivation)

Inspirational Quotes

নিজেকে অনুপ্রাণিত বা motivate করতে আমি সবসময় জীবনের কোনো খারাপ সময় বা জীবনে গভীর কিছু সময় পার করার সময় পরিস্থিতি গুলো থেকে পাওয়া শিক্ষা তৎক্ষণাৎ আমার ফেসবুক প্রোফাইলে স্ট্যাটাস দিয়ে পোস্ট আকারে সংরক্ষণ করে রাখতাম (এখনো রাখি), যেন সেগুলোতে যতবার আমার ফেসবুকের বন্ধুরা লাইক কমেন্ট করে ততবার আমি স্ট্যাটাস টা সম্পর্কে অবগত হতে পারি এবং উপলব্ধিগুলো মনে রাখতে পারি। কেনও মানুষের মন খারাপ হয়? কেন বা সবসময় আমরা ভালো থাকিনা? কেনো জীবনে হতাশা আসে? যদি কোনো প্রবলেমের কারণেই হতাসা আসে তাহলে কেনই বা আমরা প্রব্লেমএ পরি। এগুলো নিয়ে ভেবে অনেক সময় কাটাতাম। ভালো অনুভূতি গুলো স্ট্যাটাস না দিলেও মনে থাকে, কিন্তু খারাপ অনূভুতিগুলো সহজেই ভুলে যাই। যেই কারনে আমার এই কাজটি করতে হয়। যদিও আমি কোনো বিখ্যাত বা motivation দেওয়ার মত কেউই না। তারপরেও এই উক্তিগুলো জীবনের কঠিন মুহূর্তগুলো পার করতে আমাকে অনেক সাহায্য করে। তাই এগুলো থেকে ব্লগ পাঠকরা কিছু উপকার পেলেও পেতেও পারেন। :)

উক্তি ১ঃ "ঘুম হারিয়ে যায় যখন চিন্তার আসরে, চিন্তাগুলোও হারাবে একদিন, ব্যস্ততার ভীরে।" 

উক্তি ২ঃ "দিন শেষে মন খারাপ হয়ে থাকা মানুষগুলোই বুঝে মন খারাপের জীবনটা কেমন। তাই সারাদিন এরা নিজের মনকে ভুলে যেয়ে অন্য মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে ব্যস্ত থাকে। তখন হয়ত এরা হাসি ফোটানো মনগুলো নিজের ভেবে কিছুটা শান্তি পায়। কিন্তু অন্যের মনতো সব সময় পাওয়া সম্ভব না। রাতে সবার শরীরের সাথে সাথে মনটাও ঘুমিয়ে যায়। আর রাত জাগা পাখিরা তাদের মন খারাপকে লালন করে ভাবতে থাকে, "আগামীকাল আর কার কার মন ভালো করা যায় নিজের খারাপ লাগাটা ভুলে থাকতে!!"

উক্তি ৩ঃ “অভাগা যেদিকে যায়, সাগর শুকিয়ে যায়, ফলে তার সাঁতার কাটা লাগেনা, ইজি বাইকেই সাগর পাড়ি দেয়।” 

উক্তি ৪ঃ “সব মানুষের সাথেই একটা দূরত্ব বজায় রেখে চলা উচিত সে তোমার যত কাছের মানুষই হোক। এটা বজায় না রাখলে একটা সময় সে তোমার সব জিনিসই(যেমন সময়, ব্যাক্তিত্ত) নিজের মনে করে তার আবাল্পনার পরিচয় রক্ষা করে বাট এমন ভাব করে যেনো তার মতো স্মার্ট আর দুইটা নাই।”

সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।


উক্তি ৫ঃ "বেয়াদবদের সাথে বিনয়ী হয়ে যে মজাটা পাওয়া যায়, বিনয়ীদের সাথে বেয়াদবি করে সে মজাটা পাওয়া বিরল।"

উক্তি ৬ঃ "স্মৃতিগুলো বড়ই অদ্ভুত। একইসাথে ভালো ও খারাপ লাগার অনুভূতি দিয়ে যায়। ভালোলাগে এইভেবে যে দিনগুলি ভালো ছিলো।  আর খারাপ লাগে এইভেবে যে দিনগুলি চলে গেছে।"

উক্তি ৭ঃ “Don't store good time memories in your brain. They will hurt you in future. Rather just feel the good moments, forget it and wait for the next.”
বাংলাঃ "ভালো স্মৃতিগুলো মনে জমা করে রেখোনা। এগুলো তোমাকে ভবিষ্যতে কষ্ট দিতে পারে। তারচেয়ে বরং ভালো সময় ও মুহূর্ত গুলো উপভোগ কর, তারপরে ভুলে গিয়ে পরের কোনো ভালো মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করো।"

উক্তি ৮ঃ "Troll yourself, before getting trolled by someone."
বাংলাঃ  অন্যরা তোমাকে পচানোর আগে নিজেই নিজেকে পচাও। (mainly in social media)

উক্তি ৯ঃ "Don't waste your valuable time on studying and memorizing."
বাংলাঃ তোমার মুল্যবান সময়গুলো মুখস্থগত পড়াশুনায় খরচ করোনা।

উক্তি ১০ঃ "If you take your life so seriously, Life will take you as a joke."
বাংলাঃ তুমি যদি তোমার জীবনটাকে খুব সিরিয়াস বা গুরুগম্ভীর ভাবে দেখো তাহলে জীবন তোমাকে ঠাট্টা বা উপহাস হিসেবেই দেখবে। (অনেক জিনিস তোমার আয়ত্ত্বে নেই, সেগুলো মহান সৃষ্টিকর্তার হাতেই ছেড়ে দেওয়া ভালো)

উক্তি ১১ঃ "The best thing in our life is being alive. So always say Alhamdulillah and Thanks to Allah for your life that He don't grant you death till this moment." 
বাংলাঃ আমদের জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া হচ্ছে আমরা বেঁচে আছি (সৃষ্টিকর্তার অশেষ মেহেরবানী তে)। তাই সব সময় আলহামদুলিল্লাহ্‌ বলুন এবং আল্লাহ্‌ তায়ালার কাছে আপনার জীবনের এইজন্য শুকরিয়া আদায় করুন যে, তিনি এই মূহুর্ত পর্যন্ত আপনাকে মৃত্যু দেন নি।

উক্তি ১২ঃ  "If you need to observe anyone, then believe no one."
বাংলাঃ তোমার যদি কাউকে বিবেচনা করতে হয় তাহলে কাউকে বা যাকে বিবেচনা করতে চাও তাকেও(তার কথা তে) বিশ্বাস করোনা। (কারণ সঠিক বিবেচনা অন্তর থেকে সৃষ্টি হয়)

আমাদের স্বাস্থ্য ভিত্তিক অ্যাপ টি প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।


উক্তি ১৩ঃ "A compromising relationship is always a barricade to your destination." 
বাংলাঃ কম্প্রমাইজিং রিলেশনশিপ বা আপোষমূলক সম্পর্ক আপনার গন্তব্যে সবসময় একপ্রকার বাঁধা হয়ে দাড়াবে।

উক্তি ১৪ঃ  "A bad person can easily act like a good person. But a good person cannot easily act like a bad person."
বাংলাঃ একজন খারাপ মানুষ সহজেই একজন ভালো মানুষের মত অভিনয় করতে পারে, কিন্তু একজন ভালো মানুষ কখনই একজন খারাপ মানুষের মত অভিনয় করতে পারেনা (পারলেও তাকে ধরে ফেলা সহজ বা খুব অল্প সময়ের ব্যাপার)।

উক্তি ১৫ঃ "Pain is the way to both success and failure in our life. If the pain is given by someone, it is a failure. But if it is taken by you, then it is a success."
বাংলাঃ জীবনে সফলতা বা ব্যর্থতা উভয়েরই পথ হল বেদনা বা কষ্ট। যদি ব্যাথা টা নিজের থেকে নেওয়া হয় তাহলে এইটা সফল্য। আর যদি ব্যথাটা অন্য কেউ দিয়ে থাকে তাহলে সেইটা ব্যার্থতা। 
ফেসবুক পোস্ট

উক্তি ১৬ঃ
Being sad is not the problem. Its a human nature. The main problem is to feel afraid of being sad. And this is the main cause of your permanent sadness.
So don't be afraid of your sadness. Let it be. Accept it. Find the reason of your sadness. Give it a proper direction. In Sha Allah this sadness will definitely turn into your full time happiness."

বাংলাঃ  দুঃখ পাওয়াটা টা কোনো সমস্যা না। এইটা একটা মানবিক স্বভাব (মানুষ জীবনের সবটুকু সময় সুখী হলে সুখ অনুভূতির আলাদা কোনো  অস্তিত্ব থাকতোনা)। প্রধান সমস্যাটা হলো দুঃখ পাওয়াটাকে বা জীবনে কষ্ট নামাটাকে ভয় করা। তাই কষ্টকে ভয় না করে এইটা হতে দিন। গ্রহন করুন দুঃখকে। নিজের মনের বিশন্নতার কারণ খুঁজুন। তার সমাধান টা বের করুন। ইনশা আল্লাহ্‌ আপনার বিষণ্ণতাগুলো, প্রসন্নতায় পূর্ন হবে।

উক্তি ১৭ঃ "Temporary happiness can make u permanently depressed. So, better to avoid it."
বাংলাঃ অস্থায়ী আনন্দ আপনাকে স্থায়ীভাবে হতাশ করতে পারে। তাই অস্থায়ী সুখ আনন্দ এড়িয়ে চলাই ভালো।

উক্তি ১৮ঃ "The only way to fulfill your needs, is to decrease it day by day. Otherwise these needs will definitely become, your greeds."
বাংলাঃ আপনার প্রয়োজনগুলি পূরণ করার একমাত্র উপায়, দিন দিন তা হ্রাস করা। অন্যথায় এই চাহিদাগুলি অবশ্যই আপনার লোভে পরিণত হবে।

বি.দ্রঃ সবগুলো উক্তি আমার নিজের জীবনের নানা সময়(মেইনলি ২০১৭ এর) উপলব্ধি করে লিখা ফেসবুকের স্ট্যাটাস যা একটি নোট আকারে আমার ফেসবুক প্রফাইলে রাখা আছে যেগুলো অন্য কারো জীবনের সাথে মিলতে নাই পারে বা অনেকের অমত থাকতেই পারে।( ২০১১ সালে ফেসবুকে একাউন্ট খুলি সবগুলো কালেক্ট করার সময় হয়ে উঠেনা। হয়ত কোনো একদিন হবে সেদিন আপডেট দিব )


আমাদের স্বাস্থ্য ভিত্তিক অ্যাপ টি প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।

অ্যাপ



আরও পড়ুনঃ 

==>

 কি করা উচিত? আর কি করছি.! কি ই বা করার আছে? কিভাবেই বা করা যাবে।


==> একটি গাধা ও ব্যাক্টেরিয়ার প্রেম কাহিনি










গুরুত্বপূর্ন পোস্ট ও অ্যাপ পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিন।

Thursday, March 1, 2018

কিভাবে আমরা আমাদের শৈশবের আনন্দ গুলো আবার ফিরে পেতে পারি

Blog Pic

শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য কী?
কেনো আমরা এত কষ্ট করে পড়াশুনা শিখছি?
বিশ্বের অনেক জ্ঞ্যানী লোকজন সবসময় বলে থাকেন যে, শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য শুধু একটি, আর তা হল মানুষের চিন্তাভাবনাগুলোকে বিকাশিত করে তার বিশ্বাস গুলোকে উন্নত করা। কিভাবে নিজের চিন্তা চেতনা বিকাশিত করতে হয়, কিভাবেই বা বিশ্বাসগুলো উন্নত হয় এগুলোও শিক্ষারই অংশ। কিন্তু শিক্ষা শুধুমাত্র কোনো প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক হতে পারে এইটাতে বিশ্বাস করা টাও বোকামি। জীবনের বেঁচে থাকার প্রতিটা ক্ষেত্র আমাদের শিক্ষাক্ষেত্র হতে পারে যদি আমরা সেইভাবে শিক্ষাটাকে নিতে পারি। আরো ভালোভাবে বুঝাতে এই পোস্ট টি ঘুরে আসুন।

জাপানিজদের সফল হওয়ার মতবাদ (Theory Of Japanese)

যেমন ছোট বেলায় বিশ্বাস ছিলো যখন আমরা বড় হব তখন বাবা মা আমাদের সব জিনিস নিয়ে হস্তক্ষেপ করা বন্ধ করে আমাদের স্বাধীনতা দিবেন। ইচ্ছা মত বাহিরে ঘুরতে পারব, একা একা কোথাও যেতে পারব এরকমি কিছু বিশ্বাস ছিল আমার নিজের ক্ষেত্রে এমনকি বেশিরভাগদের ক্ষেত্রে এর ব্যাতিক্রম হওয়ার কথা না ("ছোটবেলায় ভালো ছিলাম বড় কেন হলাম" এমন টাইপের ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলো  observe করে বললাম)। কিন্তু এরপর বড় হয়ে আমরা কি দেখলাম? যে ছোট বেলার সেই সুখ, শান্তি, আনন্দের জীবনটার মত জীবন আর কোনো সময় আসবেনা। ইক্টু বড় হতে না হতেই মাথায় এত কিছু ঢুকে যায় যে বড় হয়ে যাবার পর ছোট বেলার কথা মনে হলেই বার বার আমাদের শৈশবে ফিরে যেতে ইচ্ছা করে। কারন ছোট বেলায় আমাদের মস্তিষ্ক এত কিছু জানত না। কেনই বা জানবে? তখনতো জানার ক্ষেত্র অনেক কম। আমাদের যেইটা ভালো লাগতো সেইটা করতে আমাদের মস্তিষ্ক বাধা দিত না অথবা যা করলে মস্তিষ্ক আনন্দ পেয়ে যেত আমরা তাই করতাম বা করতে চাইতাম। এইজন্য অনেক সময় বাবা মা আমাদের বাধা দিতেন। কারণ তারা জানতেন যে তাদের সন্তানরা কতটুকুর থেকে (দুষ্টামি, খেলাধুলা বা কোনো কিছু পাওয়ার জিদ) বেশী করলে তাদের সন্তানদের জন্যই খারাপ হবে। আমরা ভাবতাম যে বড় ভাইয়া বা আপুকে কিছু বলেনা আমার সাথেই যতসব শত্রুতা (যদিও আমার বড় ভাই বা বোন কেউ নাই) তবুও আমার ছোটবেলার বন্ধুদের কাহিনি গুলো এখন মনে করলে বুঝতে পারি। আসলে এইটাও একটা শিক্ষা বলা যেতে পারে যে ছোট বেলায় শিক্ষাটা না থাকায় আমাদের চিন্তা ধারা আর বিশ্বাসে ভুল ছিলো। ইক্টু বড় হয়ে (হাইস্কুল, বা কলেজে ভর্তি হয়ে অনেক বন্ধুদের সাথে মিশে, পড়াশুনা করে বা পারপার্শিক অবস্থা দেখে) শিক্ষা নিয়ে আমরা আমাদের চিন্তাধারা টা পালটিয়ে বুঝতে পেরেছি যে ছোটবেলার আনন্দটা আর নাই এবং সেই বিশ্বাসটাও বদলে গেছে যে বড় হয়ে অনেক আনন্দে থাকব স্বাধীন জীবনের ফলে। স্টিভ জবসের সেই বিখ্যাত উক্তি "কানেক্টিং দ্যা ডটস" এর কথা এখানে বলা যেতে পারে। কলম দিয়ে দাগ টেনে অনেকদুর যাওয়া যায় (ডট না রেখে দাগ টানা আর কি!)। কিন্তু আমরা কলমদিয়ে দাগ টানার মত জীবনটাও সবসময় ঐভাবে নিয়ে যেতে পারিনা। একটানা বহুদুর চলতে চলতে বেশকিছু ডট থেকে যায় যেইটা পরবর্তি ডটটির সাথে কানেক্ট হয়না। কিন্তু অনেকদূর যেয়ে যখন আমরা পেছনে তাকাই তখন কানেক্ট না হওয়া এই ডট গুলো কানেক্ট হয়ে একটি সুন্দর observation line তৈরি হয়ে যায় এবং আমরা বুঝতে পারি কেন সেখানে বিন্দু গুলো সংযুক্ত হয়েছিলোনা। নিজেদের ভুলগুলোর কারন বুজতে পারি। সোশ্যাল নেটওয়ার্ক গুলোতে আসলেই দেখা যায় যে কেউ হয়ত খুব স্বাধীন জীবন যাপন করছে কিন্তু তার মনে অনেক ডিপ্রেশন। কেউ যদি অনেক বেশী স্বাধীন হয়েও ডিপ্রেসড না হয়ে থাকেন তাইলে জানাইয়েন আমার বিশ্বাস টা পালটাবো। আর যারা নিজেদের থেকেই স্বাধীন না হয়ে তাদের জীবনে একটা বাইন্ডিং তৈরি করে চলেছে তারা ছোটবেলার সেই স্বাধীনতা পাবেনা। ঠু মাছ সিম্পল। ফলে ছোটবেলার সুখো আর আসছেনা। সামগ্রিকভাবে বলা যায় যে ওইরকম সুখি হতে চাইলে হয় সমাজ আমাদের বাঁধা দিয়ে ডিপ্রেসড করবে নয়ত নিজেরাই বাইন্ডিং এর কারনে সেইটা করতে পারবোনা। কিন্তু এখনো আমরা সেই ছোটবেলার আনন্দটা পেতে পারি। বরং আরো বেশী করে পেতে পারি। কারন এখন বিশ্বাসগুলো আগের তুলনায় অনেক উন্নত। ফিউচারে স্ট্রাগল বা কষ্ট কোন কোন ক্ষেত্রে আসতে পারে আমরা অনেকটাই জানি। কিন্তু সেই অনুযায়ী কাজ করিনা। এখন কথা হচ্ছে যে কিভাবে এই দুইটা থেকে মুক্ত হয়ে সেই ছোটবেলার মত আনন্দে ফিরে যাব। ব্যাপারটা খুব সিম্পল। আমাদের যা করতে অনেক ভালো লাগে সেইটা করব সমাজের কোনো পরোয়া না করে। অবশ্যই ভ্যালুয়েবল কিছু কাজ হতে হবে যা করলে নিজের ভালো লাগবে এবং সমাজ বেশি গুতাতে আসবেনা। মেইন কথা নিয়ত ভালো থাকলে আর ভালো কিছু করার ইচ্ছা থাকলে সমাজকে ইগ্নোর করা কোনো ফ্যাক্টই না। মেইন কথা আমাদের সুখি হতে হবে এবং সৃষ্টিকর্তা সুখ জিনিস টা শুধুমাত্র ভালো কাজগুলোর মধ্যেই রেখেছেন। যেমন ছোটবেলায় কাউকে হেল্প করার আগে কখনও চিন্তা আসতো না যে সে আবার আমার হেল্প করতে আসবে তো? বা আমার হেল্প না করলে ওর হেল্প করব কেনো এই চিন্তা গুলো ছোটবেলায় আমাদের কারোরি তেমন ছিলোনা। এই কারনে কেউ কষ্ট দিলেও কোনো আক্ষেপ থাকতোনা। সব ভুলে আবার তার সাথেই মিশে খেলাধুলা করতাম। কেউ আমাদের সাথে ভালোভাবে কথা বললে বা আমাদের প্রশংসা করলে কোনো কিছু না ভেবেই তাদের বিশ্বাস করে নিতাম। পরে সেই বিশ্বাসটা ভেঙে গেলেও অত কষ্ট পেতাম না। কিন্তু আজ সেই বিশ্বাসটাকে আমরা অনেক বড় করে দেখি যে কাউকে বিশ্বাস করে যেন কষ্ট পাওয়া না লাগে তাই অনেক বুঝে শুনে মানুষকে বিশ্বাস করি। তারপরেও সেই বিশ্বাসটা মানুষ ভাঙে। বরং এখন আরো অনেক বেশিই ভাঙে এবং আমরাও বর্গের সমানুপাতিক হারে অনেক বেশী কষ্ট পাই। সে কেনো আমার বিশ্বাস টা ভাঙলো!! দুনিয়ার কোনো মানুষ ভালোনা!!! সবাই আমার সাথে এমন করে!! ব্লা ব্লা ব্লা!!! একজনের বিশ্বাস ভাঙার কারনে পুরো পৃথিবীর মানুষকেই দোষারোপ করে ধুয়ে নামায় দেই। কিন্তু আমরা যদি শুধু এইটুকু বুঝে মেনে নিতাম যে মানুষ বেচে থাকলে সে বদলাবেই। এই বদলানোটা আমরা আটকাতে পারবোনা। কিন্তু আমরা নিজেকে কোনো কিছু থেকে বদলে যাওয়াকে আটকাইতেই পারি। বা ইচ্ছা অনুযায়ী নিজের দৃষ্টিভঙ্গী টা বদলেও নিতে পারি ভালোবাসার মানুষের সাথে থাকার জন্য যাতে আমাদের জীবন সুখি হয় এবং কষ্টটাও কমে যায়। স্টিভ জবসের আরেকটি উক্তি ছিলো যে  "ক্ষুধার্ত থাকো বোকা থাকো"। এখানে ক্ষুধার্ত বলতে অনেক কিছুর ক্ষুধার কথা বলা যেতে পারে। যেমন জ্ঞ্যানের ক্ষুধা, সম্মানের ক্ষুধা, সম্পদের ক্ষুধা, ভালোবাসার ক্ষুধা। এসবের ক্ষুধা মানুষের থাকেই কম বেশী। কিন্তু ক্ষুধার্ত থাকার সাথে সাথে আমাদের বোকাও থাকতে হবে সবসময়। নয়ত আমরা ক্ষুধার দাস হয়ে যাব। আমাদের ক্ষুধা মিটবেনা সবকিছু পেলেও আরও কিছু পেতে চাইবো। কিন্তু বোকা থাকলে সেই ক্ষুধা টা পূরন হয়ে যাবে। আমরা আনন্দিত হব। আবার ক্ষুধা লাগাতে হবে বোকা থেকে নাহলে আনন্দের বা সেলফ সেটিস্ফেকশনের এই প্রসেস টা থেমে যাবে। আরেকটা উক্তি যেইটা না বললেই নয় তা হলো "পৃথিবীতে সবাই জিনিয়াস। কিন্তু আপনি যদি একটি মাছকে তার গাছ বেয়ে উঠার সামর্থ্যের উপরবিচার করেন তাহলে সে সারা জীবন নিজেকে শুধু অপদার্থই ভেবে যাবে।"---আইনস্টাইন। এই উক্তি টি তিনি যেই অর্থে বলেছিলেন সেইটা হয়ত আমাদের অনেকেই বুঝিনা। এই উক্তিটি দ্বারা মানুষ একটা জিনিস পারে আর অন্য মানুষ সেটি পারবেনা এইটা বোঝায় না। এইটা দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে যার যেইটা করতে ভালো লাগে বা যে যেইটা করতে পারে ভালো ভাবে আনন্দের সাথে তার সেইটাই করা উচিত। তাকে অন্যটা করতে বাধ্য করলে সে নিজেকে অপদার্থই ভাববে। কিন্তু এইটার মানে এই নয় যে সে ঐ টা পারবেনা।(যদিও মাছ গাছ বেয়ে কখনও উঠতে পারবেনা, এইটা নেহায়েতই প্রতীকী) একটা মানুষ যেইটা পারে, অন্য মানুষের সেইটা করার ইচ্ছা, আগ্রহ থাকলেই সে সেটা করতে পারবে বলে আমি মনে করি। কিন্তু যার একটা কাজে কোনো ইন্টারেস্ট নাই সে ঐটাতে আনন্দ পায়না তাহলে সে কেনো সমাজের আর চার জনের দেখাদেখি ঐ কাজ করবে? কোনো কাজে মেধা তখনই বিকশিত হবে যখন সে ঐটা করে আনন্দ আর স্যাটিস্ফেকশন পাবে। মেধা কখনই জোর করে বা অনুকরন করে, কোনো ইন্টারেস্ট ছাড়া একটা জিনিসে লেগে থেকে বিকশিত হতে পারেনা। কখনই না। আমার সাইকাইয়াট্রিস্ট আমাকে বলেছিলেন যে আমি এক্সট্রোভার্ট আর ইন্ট্রোভার্ট দুই ধরনের মানুষদের মতই কাজ করতে পারি। এই কারনে মাঝে মধ্যে ডিপ্রেসড হই কিন্তু ডিপ্রেশন কেটে গেলেই আনন্দের জোয়ারে ভেসে যাই। এরপরে ঐ আনন্দ শেষ হলে আবার ডিপ্রেশন আসে। কথাটা আমার মাথার উপ্রে দিয়ে গিয়েছিলো। মনে করেছিলাম যে এই কি সুপার নেচারাল জিনিস যেইটা আমার হয়। এরপরে একটা ব্লগ পরতে যেয়ে জেনেছিলাম যে শতকরা ৭% মানুষ এমন হয়ে থাকে যারা দুই রকমের পারসোনালিটি বজায় চলতে পারে এইটা ন্যাচারাল জিনিস। কোনো সুপার ন্যাচারাল জিনিস না। আমার একটা বন্ধু আমার ফেইলিয়ার আর কথা বার্তার অসামঞ্জস্যতা দেখে ইক্টু ব্যাংজ্ঞার্তিক ভাষাতেই বলেছিলো যে তুমি মটিভেশনাল স্পিচ দিলেই তো পারো। তাই তার নাম টা না জানিয়ে এই লিখাটি তাকে উতসর্গ করলাম। যদিও এইটা কোনো মটিভেশনাল স্পিচের মত লিখা না। আর মটিভেশনাল কিছু লিখার ন্যুনতম যোগ্যতাও আমার নাই। তবে ফেইলিয়ারের ফেইল করার মটিভেশন বলা যেতেই পারে এটাকে যেটাতে মনটা শৈশবের আনন্দ ফিরে পাবে। 

আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে সংগৃহীত।


আরও পড়ুনঃ 


নিজেকে অনুপ্রাণিত বা মটিভেট করার উক্তি সমূহ (Quotes of Motivation) 

 

ইসলামে পর্দা (হিজাব) সম্পর্কিত সুন্দর একটি গল্প (হালাল রোমান্টিসিজম)

 

পানি চর্বি বা শরীরে পানি জনিত ওজন (Water Weight in Bangla)