Tuesday, November 6, 2018

জ্ঞান অর্জন ও জ্ঞানের প্রয়োগ | Knowledge Era in Bengali | Old vs New Generation

আমার ধারণা বর্তমান যুগের তুলনায় পূর্বেকার যুগে সামগ্রিকভাবে মানুষের volume of knowledge কম থাকলেও application of knowledge ছিল অনেক বেশি। হুম, বলা যায় তখন যাদের knowledge ছিল তাদের knowledge এর ব্যাপ্তি ছিল অনেক বিস্তৃত। কারণ তাদের জন্য জ্ঞানার্জনের ব্যাপারটা selective ছিলনা, ছিল elective. তারা নিজ আগ্রহে জ্ঞানার্জন না করলে তাদের জবরদস্তি করার কেউ ছিলোনা। তাই তারা জ্ঞানার্জনের ব্যাপারে যেমন উৎসাহী ছিলেন তেমনি উদ্যমী ছিলেন, যদিও হয়ত তাদের সংখ্যা ছিল অনেক কম। তাদের জন্য কিছু জানা Google ভাইয়াকে জিজ্ঞেস করার মত সহজ ব্যাপার ছিলোনা। প্রতিটি piece of information সংগ্রহের পেছনে ছিল তাদের অক্লান্ত চেষ্টা, সাধনা ও পরিশ্রম। তাই তাদের কাছে জ্ঞানের মূল্য ছিল অনেক বেশি। কষ্টার্জিত সেই জ্ঞানকে ব্যাবহারের, বিফলে যেতে না দেয়ার আকাঙ্ক্ষা ছিল অদম্য। সমাজ তাদের এই সাধনার মূল্যায়ন করত। জ্ঞানী ব্যাক্তিদের সমাদর ছিল, সম্মান ছিল। তারা জ্ঞানী ব্যাক্তিদের কথা শুনতেন, সেই অনুযায়ী কাজ করতেন। জ্ঞানীরাও এর সুযোগ নিতেন না, বরং ফলভারে নুয়ে পড়া বৃক্ষের মত বিনয়ী হতেন।
এখন লেখাপড়ার প্রচলন বেড়েছে, তবে জ্ঞানার্জনের পরিধি কতটুকু বেড়েছে তা প্রশ্নসাপেক্ষ। কারণ এখনকার অধিকাংশ মানুষের কাছে জ্ঞান সেই নিমতেতো যা বন্দুকের নলের আগায় তাকে গিলতে বাধ্য করা হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে জ্ঞানের শুধু সেটুকুই গলাধঃকরণ করা হয় যেটুকু পরীক্ষায় পাস করার জন্য অপরিহার্য এবং সেটা গলা পর্যন্ত পৌঁছেই ঠেকে যায়, পরীক্ষার খাতায় উগড়ে দিয়েই খালাস, হজম হয়না তাই ব্যাক্তির মানবিক উন্নতি সাধনে কোন অবদান রাখতে পারেনা। একটি জীবিকা সংগ্রহ ব্যাতীত এই জ্ঞানের আর কোন function থাকেনা। ফলে এই জ্ঞান ব্যাক্তিকে করে তোলে প্রতিযোগী মনোভাবাপন্ন, স্বার্থপর এবং সুযোগসন্ধানী। যারা সত্যি সত্যি জানার উদ্দেশ্যে জ্ঞানের অনুসন্ধান করেন তাদের অনেকেরই অনুসন্ধিৎসার সাথে প্রচেষ্টার যোগ ঘটেনা। ফলে তারা Google ভাইয়ার দেয়া দুই লাইনের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়ে যান, অথচ ঐ বিষয়ে লেখা শত শত বইয়ের এক পাতাও পড়ে দেখতে নারাজ। এই ধরণের জ্ঞান অপরের কষ্টার্জিত জ্ঞানকে মূলায়ন করার ব্যাপারে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারেনা। ফলে এই ধরণের জ্ঞানীরা অনেকক্ষেত্রে উদ্ধত এবং তর্কপ্রবণ হয়ে থাকেন। তাদের ব্যবহার এবং কথাবার্তা হয়ে থাকে অহংকারী এবং অমার্জিত।
সেদিন কথাপ্রসঙ্গে আমার নানার জীবনের বিভিন্ন আঙ্গিক পর্যালোচনা করতে গিয়ে এই কথাগুলো মনে এলো। নানা ছিল সাধারণ গ্রামবাসী ব্যাবসায়ী। লেখাপড়া ছিল কুরআন এবং হাদিসের জ্ঞানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। কিন্তু নানার জীবনাচরণে ছিল এই জ্ঞানের সাথে পরিপূর্ণ সমন্বয় সাধনের প্রয়াস। নানা যে কেবল নিজে এই শিক্ষাকে ব্যাক্তিগত জীবনে প্রতিফলিত করার চেষ্টা করত তাই নয়, বরং সন্তানদেরও তা অনুসরণ করার তাগিদ দিত। একসময় যখন রেঙ্গুন জমজমাট ব্যাবসাকেন্দ্র তখন নানা রেঙ্গুনে ব্যাবসা করত। তারপর যখন রেঙ্গুনে মুসলিম নিধন অভিযান শুরু হয় তখন নানা আবার চট্টগ্রামে ফিরে আসে। ফিরে এসে দেখে বড় ভাই নানার কষ্টার্জিত পয়সায় নিজ নামে জমিজমা কিনে বসে আছেন। কিন্তু নানাকে দেখিনি এই বিষয়ে কিছু বলতে, অন্যরা কিছু বললেও নানা তাদের চুপ করিয়ে দিত। এই ঘটনা আমাকে সুরা ফুরকানে উল্লেখিত ‘ইবাদুর রাহমানের’ কথা মনে করিয়ে দেয়। জমজমাট ব্যাবসা করার সময় কিংবা সর্বস্ব হারিয়ে ফিরে আসার পর, উভয় অবস্থাতেই নানার জীবনাচার ছিল অতি সাধারন। নানা বলত (চট্টগ্রামের ভাষায়)-
‘বাকা ঝরে ভিজে,
রইদত ফুয়ায়,
শীতে ফুলে।’
‘বাকা’ শব্দটার অর্থ অনেকটা stylish বা show off এর মত। এরা ফ্যাশনের জ্বালায় ছাতা ব্যবহার করতে পারেনা, তাই বৃষ্টিতে ভিজে, রোদে পোড়ে। আবার শীতের দিনে গরম কাপড় পরতে পারেনা, ফলে শীতে কষ্ট পায়। নানা সবসময় স্মার্ট এবং পরিচ্ছন্নভাবে চললেও এসব আদিখ্যেতা এড়িয়ে চলত।
মার কাছে শুনেছি, নানা ছেলেমেয়েদের এত ভালবাসত যে সারাদিন পরিশ্রমের পরও তাদের বুকে পিঠে নিয়ে ঘুমাত। ঘুমের মধ্যেও নড়াচড়া করত না যেন বাচ্চাদের ঘুম ভেঙ্গে না যায়। তাই প্রতিদিন ভোরে উঠে আবিষ্কার করত ঘাড়েপিঠে প্রচণ্ড ব্যাথা। কিন্তু পরদিন আবার সেই একই কাহিনী। এর থেকে মনে হয়, হয়ত নানা চেষ্টা করত ইয়াকুব (আঃ)এর মত বাবা হবার। কিন্তু তাই বলে সন্তান বাৎসল্যে নানা সন্তানদের দোষত্রুটির ব্যাপারে অন্ধ ছিল এমনটা নানার সন্তানরাও বলতে পারবেনা। একদিনের কথা খুব মনে পড়ে। নানা প্রতিবেলায় মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ত। যাবার সময় ছেলেদের ডাকত, মেয়েদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে যেত। একদিন বাইরে তুফান হচ্ছে। কেউ নানার সাথে যেতে রাজী হোলনা। হাদিসে সঙ্গত কারণে নামাজ বাসায় পড়া যাবে বলায় নানা জবরদস্তি করলনা, কিন্তু সবাইকে নামাজ পড়ার তাগিদ দিয়ে মসজিদে রওয়ানা দিল। দেখি মা, মামারা বসে বসে ঝালমুড়ি চিবাচ্ছে আর অন্যদের বাড়ীর চাল উড়ে যাওয়া দেখে হেসে লুটোপুটি খাচ্ছে। নানা ফিরে এসে বাইরে থেকেই ওদের দেখতে পেয়ে ইয়াব্বড় এক লাঠি নিলো। মা, মামারা দৌড়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যেই আমরা যে ঘরে বসা ছিলাম শুধু সেই অংশের চাল উড়ে গেল। হা হুতাশ করার পরিবর্তে নানা খুশি হয়ে বলল, ‘আমার আগেই আল্লাহ তোদের শাস্তি দিয়ে ফেললেন। এবার যা, সব নামাজ পড় গিয়ে।’
ইব্রাহীম (আঃ)এর আদর্শ মোতাবেক বাসায় ভাল কিছু রান্না হলেই নানা রাস্তায় গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত, উদ্দেশ্য পথচারীদের মাঝে কয়েকজনকে ধরে এনে ভাল খাবার দিয়ে আতিথেয়তা করা। বাজার থেকে একটা বড় শসা কিনে আনলেও প্রতিবেশীদের বাসায় এক ফালি পাঠাবার জন্য অস্থির হয়ে যেত। মানুষের মনে কষ্ট না দেয়ার ব্যাপারে এতটা সচেতন থাকত যে অনেকসময় অনেক comical situation এর উদ্ভব হত। আমার নানা ছিল চোখধাঁধানো সুন্দর যার ছিঁটেফোঁটা নানার ছেলেমেয়েরা পেয়েছে। তাতেই মা’র বিয়ের প্রস্তাবের লাইন সামলাতে নানাকে অনেক ঝক্কিঝামেলা পোহাতে হত। যেমন একবার এক মাস্তান ছেলেকে মানা করে দেয়ার পর সে রেগেমেগে রাতের অন্ধকারে ঘরের চৌহদ্দির বেড়া উপড়ে, আগুনে জ্বালিয়ে, পুকুরে ফেলে চলে যায়! আরেকবার এক গ্রাম্য চাষি বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে হাজির। অহংকার প্রকাশ পাবার ভয়ে নানা তাঁকে সরাসরি কিছু বলতে নারাজ। তখন নানা তাঁকে বুঝাল, ‘কি বলব ভাই, শরমের কথা, আমার এই মেয়েটাকে নিয়ে কেউ আমাকে উদ্ধার করলে আমি কৃতার্থ হয়ে যাই। আমার মেয়েটা এত খায়, এত খায়, এত খায়, হাঁসের মত সারাক্ষণ খেতেই থাকে। তুমি ওকে নিয়ে আমাকে উদ্ধার কর ভাই।’ মূর্খ চাষি ভাবল, ‘এই মেয়ে নিয়ে গেলে তো আমার গোলা উজার হয়ে যাবে!’ সে মানে মানে সরে পড়ল। আজকাল অবশ্য ধনী লোকেরাও ছেলে বিয়ে করলে খাওয়াবে কি সে চিন্তায় ছেলের বিয়ে দিতে পারেন না, চাষির কি দোষ!
আমার নানা আমাকে ভীষণ আদর করত। ভরদুপুরে তেঁতুল খাব বলে বাড়ি মাথায় তুললেও বকা দিতনা। নানার একটা গরুর একটা সুন্দর লাল বাছুর হয়েছিল, সেটা নানা আমাকে দিয়েছিল খেলার সাথী হিসেবে। পরে বাছুরটা মাঠে ঘাস খাবার সময় বজ্রাঘাতে মারা যায়। আমি খুব কান্নাকাটি করেছিলাম। তখন বাছুরটাকে ঘরের সামনে কবর দেয়া হয়। আমার এখনো মনে আছে ওর কবরটা কোথায়। নানা রিটায়ার করার পর বাবা নানাকে ঘরের সামনেই একটা মুদি দোকান করে দিয়েছিল যেন লোকজন আসে, নানার সময় কাটে। দোকানের মুড়ি, মোয়া, মিসরি অধিকাংশ আমার পেটেই যেত। আমার একটা ছোট্ট কৌটা ছিল, নিয়ে গেলেই নানা ভরে দিত। কিন্তু একবার মামাদের মাথায় বাঁদরামি চাপল। নানা যতবার আমার কৌটা ভরে দেয়, ওরা কৌটা খালি করে সব খেয়ে নেয়, তারপর আবার আমাকে পাঠায়। এভাবে কয়েকবার যাতায়াত করার পর নানা বুঝতে পারল কি হচ্ছে। তখন নানা বলল, ‘ফজলুল করিম (ছোটমামা) সব খেয়ে ফেলছে, না? এবার আর দেবনা।’ বকা দেয়া হয়েছে ছোটমামাকে কিন্তু আমার হঠাত খুব কান্না পেয়ে গেল। এত বড় অপমান! আমাকে মুড়ি দেবেনা? আমি গিয়ে ছোটমামাকে খুব ঝাড়লাম, ‘ওডা ব্যাডা ফজুল করিম, তোর বায় আঁরে মুড়ি ন দেয়, আঁর বা আইলে হইয়ুম দে মুড়ির দোয়ান দিত’ (এই ছেলে ফজুল করিম, তোর বাবা আমাকে মুড়ি দেয়নি, আমার বাবা এলে বলব মুড়ির দোকান দিতে)! এখনও সবাই আমাকে এই কথা মনে করিয়ে দিয়ে ক্ষ্যাপায়। পরে অবশ্য মামাকে তাড়া করার পর নানা আবার আমার কৌটা পূর্ণ করে দিয়েছিল। নানা যখন মারা যায় তখন আমার বয়স মাত্র ছয় বছর। কিন্তু নানার ব্যাক্তিত্ব এত প্রখর ছিল যে নানাকে মনে রাখা খুব একটা কঠিন ছিল না যেখানে অনেক ব্যাক্তি হয়ত অনেক সাম্প্রতিক হয়েও স্মৃতি থেকে হারিয়ে গিয়েছেন।
এবার আসি এক Google শেখের সাথে কথোপকথনে। আধুনিক কালের বড় বড় স্কলাররা সবসময় এদের ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বনের কথা মনে করিয়ে দেন। Google শেখদের বৈশিষ্ট্য হোল এরা কিছু হলেই Google-এ সার্চ দিয়ে সমাধান দিয়ে দেয়। এমন এক Google শেখ একবার খুব বাড়াবাড়ি করলে তাকে বললাম, ‘Google-এ যে তথ্যাদি পাওয়া যায় তা তো আর ইসলামের আলোকে যাচাই বাছাই করে নেয়া হয়না, তুমি যে তথ্য পাচ্ছ তা সঠিক কিনা তা বুঝার জন্যও তো তোমার কিছু বেসিক জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। তাহলে তুমি তোমার যে বেসিক জ্ঞান তার ভিত্তিতে এই তথ্য কতখানি সঠিক তা যাচাই করে নিতে পারবে।’
সে বলল, ‘বেসিক জ্ঞান বলতে তুমি কি বুঝাচ্ছ?’
‘তুমি কুরআন কয়বার পড়েছ, অর্থ বুঝে পড়েছ কিনা, তাফসির পড়েছ কিনা, কয়খানা তাফসির পড়েছ ...’
আমি শেষ করার আগেই সে বলে উঠল, ‘দাঁড়াও, দাঁড়াও। আমি কুরআন একবারও শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়িনি।’
‘পড়নি, তাহলে এখন পড়া শুরু কর। তুমি যে কয়টা সুরা মুখস্ত জানো অন্তত সেগুলোর অর্থ দিয়ে অর্থ পড়া শুরু কর, ওগুলোর তাফসির আগে জানার চেষ্টা কর ...’
আবারও সে আমাকে বাঁধা দিল, ‘আমি তো আরবি পড়তে জানিনা! সুরা জানি মোট চারটা কিন্তু অর্থ জানিনা। আর তাফসির কি জিনিস?’
ধৈর্য্য ধরে বুঝালাম তাফসির কি, এর প্রয়োজনীয়তা কি। নিজেকে বুঝালাম, আরও বহুদূর পথ বাকী, এখনই ধৈর্য্য হারালে চলবেনা।
তারপর বললাম, ‘কুরআনের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাসূল (সাঃ) এর জীবনী এবং হাদিস গ্রন্থগুলো পড়া ...’
আবার বাঁধা, ‘জীবনী কেন?’
‘আমরা যদি রাসূল (সাঃ) এর অনুসারী হই, তাহলে জানতে হবেনা তাঁর প্রতিদিনকার যাপিত জীবন কেমন ছিল, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তিনি কিভাবে আচরণ করতেন? নইলে আমরা তাঁকে অনুসরণ করব কিভাবে?­’
‘এতকিছু পড়ার সময় কই?’
‘কেন অফিস থেকে বাড়ী ফিরে তুমি কি কর?’
‘সিরিয়াল দেখি।’
‘এখন গল্পের মত মজা করে বর্ণনা করা রাসূল (সাঃ) এর জীবনী সিরিয়াল আকারে YouTube এ পাওয়া যায়। দেখতে না চাইলে শুধু শুনলেই হবে। এক পয়সাও খরচ নেই।’
‘কি বল? মানুষের জীবনে বিনোদনেরও তো প্রয়োজন আছে!’
‘কিন্তু তুমি তাঁর জীবনী না জানলে হাদিসগুলোর প্রেক্ষাপট বুঝবে কিভাবে? হাদিস না বুঝলে ফিকাহ বুঝবে কিভাবে?’
‘ফিকাহ কি জিনিস?’
‘এই যে তুমি সবাইকে উপদেশ দাও এমন করা উচিত, তেমন করা যাবেনা, এগুলোই ফিকাহের বিষয়বস্তু। কুরআন এবং হাদিসের আলোকে একজন মুসলিমের জীবনে করণীয় কাজগুলোর বৈধতা অবৈধতা নির্ণয় করার জন্য ফিকাহ সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের কোন বিকল্প নেই।’
‘সে তো আমি Google থেকেই জানতে পারছি! তবে কেন শুধু শুধু কষ্ট করে সময় ব্যয় করে এতকিছু পড়তে যাব?’
একেই মনে হয় হয় বলে, ‘সারা রাত রামায়ন পড়ে সকালে উঠে বলে, ‘সীতা কার বাপ?’
সে বিরক্তি সহকারে আমার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে আরেকজনকে উপদেশ দিতে শুরু করল যে ওর চেয়েও কম জানে। এই হোল আমাদের যুগে সাধারণ মানুষের জ্ঞানের চর্চা এবং প্রয়োগের নমুনা।
তাই মনে হয় তুলনামূলকভাবে আগের যুগের মানুষগুলোই খাঁটিভাবে জ্ঞানের আস্বাদন করতে পেরেছিলেন যেখানে আমাদের আছে শুধুই আস্ফালন।

# জ্ঞানার্জন vs জ্ঞানের প্রয়োগ,

Rehnuma Bint Anis এর ফেসবুক নোট থেকে সংগৃহীত। 




Colorful Life Apps
Get it on Google Play

Saturday, September 1, 2018

নদী ও সমুদ্রের গল্প (রূপকথা) | Deshi Short Stories | Bangla Choto Golpo


সমুদ্রের রূপকথা

নদীর নামটি ময়ূরাক্ষী। যেমন সুন্দর নদিটীর নাম তেমনি স্বচ্ছ সেই নদীর পানি। শান্ত কিন্তু প্রবাহমান নদি ময়ুরাক্ষি। তার জীবনটা অন্য নদ নদীর তুলনায় নিতান্তই সাধারন। অন্য নদির মত কোন সময় রাগ উঠলে চারপাশ ডুবিয়ে বন্যা তৈরি করেনা। অন্য কোন নদের প্রভাবে নিজের গতিও কখনও বদলায় না। তবে পরিস্থিতি বুঝে নিজেকে ঠিকি অন্যভাবে সাজিয়ে নিয়ে নিজের অস্তিত্ব রক্ষা করে ময়ুরাক্ষি। বিশালাকার কোনো সমুদ্রও তাকে তাড়া করে ধরতে পারেনা। ধরলেও ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। যে তার গতি সবসময় বজায় রাখে এমন নদির সাথে কখনও কি পেরে ওঠা যায়? আর এর জন্য নদিটিরও কপালে আজ পর্যন্ত কোনো সমুদ্রের প্রেম জুটল না। সে কোনো সমুদ্র নিজের কপালে জুটানোর কথা ভাবেওনা। সমুদ্রমিলনে তার কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই বললেই চলে। নিজের গতি বজায় রাখাই যার ধর্ম তারকি কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকতে পারে? অপরদিকে তারই জমজবোন ঝিন্মলতা। বোন জমজ হলেও তাদের মধ্যে মিলের থেকে অমিলই বেশী। সে উড়নচণ্ডী ধরনের নদী। কোনো বখাটে সমুদ্রের কাছে ধরা পড়লে তার মধ্যে নিজেকে বিলিন করে নিজেকে শক্তিশালি করে। অগভির সমুদ্ররা তার নাগাল পেতে নাকচুবনি খায়। জীবন চলার পথে বার বার গতি পরিবর্তন করে চলে। তবে ভেতরটা তার কখনোই বদলায় না। রাগ ক্ষোভ আর বিতৃষ্ণা তে মনটা তার জর্জরিত। সমুদ্রদের থেকে শক্তি নিয়ে একটা একটা করে সমুদ্রকে ধংশ করার তীব্র বাসনা পুশে রেখেছে সে অন্তরে। যদিও সমুদ্র খুব কমই ধংস করেছে সে। তবে যে সমুদ্র গতি ঘুরাতে পেরেছে সেই সমুদ্র আর নিজেকে টিকিয়ে রাখতে পারেনি। হয়ত বিলিন হয়ে গেছে বিশাল কোনো দ্বিপ সৃষ্টি করে, অথবা নিজেকে দুষিত ও নির্জীব করে মেরে ফেলেছে তার অঞ্চলের সমস্ত জলজ প্রানীকে।
তবে ঝিন্মলতা দুই বোনের মধ্যে এত অমিলের মধ্যে একটি মিল হল তাদের দুইজনের পানি একই রকম সুন্দর ও স্বচ্ছ। তাই শুধু পানির রঙ দেখে এদের আলাদা করা খুব কষ্টসাধ্য ব্যপার। আর এই পানি যাচাই করে আলাদা না করার কারনেই ঝিন্মলতার কাছে ধরা খায় বিশাল বিশাল জলরাশি ও সমুদ্র। প্রভাবশালী দুই নদীর খুব কেটে যাচ্ছিলো দিনকাল। কিন্তু সময়কি কখনও সবার একই রকম ভাবে যেতে পারে? তাদেরও গেলোনা। ঝিন্মলতা এইভাবে সমুদ্রকে ধংস করতে করতে একটা সমুদ্রের প্রেমে পড়েই গেলে। সমুদ্রটাকে ধংস করতে না পারার ফলেই মনেহয় তার এই প্রেমের উদ্ভব হয়। ঝিন্মলতা বলে কথা! কিন্তু সেই দুর্বার সমুদ্র সবসময় চাইতো ময়ূরাক্ষীর মত একটা কোমল নদীকে আপন করতে। কখনও সে কোনো নদীর ক্ষতি করেনি। বরং অনেক প্রাণহীন নিথর নদীতে পানি ফিরিয়ে দিয়েছে সমুদ্রটি। শুধু পারেনি সেই ঝিন্মলতার বোন ময়ূরাক্ষীকে পূর্ন করতে। স্বভাবতই যে সবদিক দিয়ে পূর্ন সেই ময়ূরাক্ষী তো কখনওই চাইবেনা অন্যকারোর দয়া নিতে। হয়ত সমুদ্রপ্রেমে না পড়ার মধ্যেই তার পূর্ণতা। কিন্তু সমুদ্রটির বিশালতা দেখে ময়ূরাক্ষীও মনে মনে অনেকবেশী ভালোবেসে ফেলেছিলো সমুদ্রটিকে। তবে কোনো দিনও তার স্বকীয়তা হারিয়ে সমুদ্রকে বুঝতে দেয়নি। সমুদ্রপ্রেমের অপূর্নতায় শেষ হওয়ার দার প্রান্তে এসেও সে সমুদ্রটিকে না বলে দেয়। তাই সমুদ্রটি তার বোন ঝিন্মলতায় মিশে যায় এবং তীব্র আক্ষেপ আর অপূর্নতা নিয়েই জীবন কাটিয়ে চলে।

একটি কাল্পনিক রূপকথা। # হিজিবিজি
- সাকিব হোসাইন


প্লে-স্টোর থেকে  Install করুন Colorful Life Apps এর অসাধারন কিছু অ্যাপ

Bangla Health App


Sleep Cycle App

Thursday, August 2, 2018

Android Bangla Guidelines: শেখার শুরু। The Beginning | App Development Series 2

hijibiji blogspot photo
আপনি যদি এন্ড্রয়েড শেখার আগের ধাপ সমূহ পার করে আসেন তাহলে আপনি বুঝে গেছেন যে কিছু শেখা অতটা সহজ হয়না প্রথমে। কিন্তু নিজের ওপর বিশ্বাসটা দৃঢ় থাকলে আর শেখার ইচ্ছাটা প্রবল হলে আপনার শুধু শুরুটা করতে হবে। এরপরে শেখার পথটা আসতে আসতে সহজ হয়ে যায়। আর যদি আপনি আগের ধাপগুলো ঠিক মত না জেনে Android শুরু করেন তাহলে আপনি কাজ করতে যেয়ে বার বার ধাক্কা খাবেন। ধাক্কা টা পজিটিভ ভাবে নিলে এই ধাক্কাই আপনাকে আরও মজবুত করবে। মানে যেইটাতে কাজ করতে যেয়ে আটকে যাবেন সেইটা আবার শিখে আসতে হবে। যদিও কাজ করতে যেয়ে Android এর জাভা ফ্রেমওয়ার্কের অনেককিছুই শেখা লাগবে। তাই যদি Android Programming শুরু করে আগের ধাপের সি প্রোগ্রামিং এর ফাংশানের মত জিনিসপাতি শিখতে যান তাহলে ফলাফল অতটা ভালো হবে বলে মনে হয়না। বাকিটা আপনার ইচ্ছা। এখন শেখার শুরু কিভাবে করবেন সেইটাতে আসা যাক। শেখার আগের জিনিসপাতি জানা থাকলে এখন আমি বলবো শিখে শিখে কাজ করার থেকে করে করে শিখুন। এইভাবেই সবার ভালোভাবে শেখা হয় বলে মনে করি। আর শুরুটা করবেন সহজ কোনো অ্যাপের ধারণা থেকে। প্রথমেইতো আপনি বড় কোনো প্রজেক্ট করতে পারবেন না। সহজ কথা। তাই শুরু করুন একটা ক্যালকুলেটর এর প্রজেক্ট দিয়ে। হতে পারে সেইটা সাধারণ যোগ-বিয়োগের ক্যালকুলেটোর অথবা বিএমাই এর মত সহজ কোনো থিওরির ক্যালকুলেটর। অথবা হতে পারে সিম্পল একটি Length বা Area কনভার্টার। এছাড়াও সি প্রোগ্রামিংএ জন্ম তারিখ থেকে বয়স বের করার প্রোগ্রামিং টা করে থাকলে একটা বয়স ক্যাল্কুলেটার বানিয়ে ফেলতে পারেন। অথবা আমাকে ফেইসবুকে মেসেজেও আপনার প্রোজেক্টের কথা আলোচনা করতে পারেন। তবে আমি বলব এমন কিছু প্রোজেক্ট সিলেক্ট করবেন না যেইটা শেষ করে আপনি একেবারেই খুশি না হন বা কিছু বন্ধুবান্ধবও ব্যবহার করতে পারছেনা এমন Project না করাই ভালো। করলে হয়ত প্রোজেক্ট শেষে Demotivated হয়ে যাবেন। একবার ডিমটিভেটেট হয়ে গেলে আর কাজ করতে ইচ্ছা নাও করতে পারে। 

কিছু গুরুত্বপূর্ন টিপসঃ
  • প্রোজেক্ট শুরু করে একটা জিনিস না পারলে মাথা কোনো সময় গরম করবেন না। জিনিসটির  Concept ক্লিয়ার না হওয়া পর্যন্ত ইন্টারনেটে খুজতে থাকুন।
  • সবসময় গুগলে প্রোগ্রামিং রিলেটেড জিনিস খুজতে সার্চের শেষে stackoverflow কথাটি লিখবেন। স্ট্যাকওভারফ্লো পুরো পৃথিবীর মধ্যে সফটওয়্যার ডেভেলপারদের সবচেয়ে বড় কমিউনিটি। সমস্যাটা সম্পর্কে ক্লিয়ার জেনে থাকলে এবং সঠিক কিওয়ার্ড লিখে সার্চ দেওয়া হলে এখানে Programming  এর Basic জিনিসপাতির সবকিছুরই সমাধান পাওয়া যায়।
  • যারা শুধুমাত্র কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং বা কন্টেস্টে Programming করেন তাদের সাথে Android নিয়ে প্রশ্নতো দূরের কথা, আপনি যেই প্রোজেক্টটি করছেন এইটাও না জানালে ভালো। এসব দিকে তারা সাধারণত Demotivated করে থাকেন। এসব প্রোগ্রামাররা অনেকটা গোঁড়াপ্রত্তর হয়। ভাবটা এমন যে নিজের করছেনা জন্য অন্যরাও না করুক। তাই সাবধানে কাজ চালান।

যেকোনো সহযোগিতার জন্য আমাকে নক করুন ফেইসবুকে। আমি নিজেও এখনো বিগিনারই ধরতে গেলে। গত বছর কাজ শুরু করেছি। তাই আপনাদের থেকে নিজেও অনেক কিছু শিখতে পারবো ইনশা আল্লাহ্‌। 
জাজাকাল্লাহু খাইরান (মহান আল্লাহ্‌ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিক)।

আমার ফেইসবুক লিংকঃ https://facebook.com/sakibhossain.cs
ফেসবুক গ্রুপঃ https://web.facebook.com/groups/cse.programmers.bd/

আমাদের অ্যাপগুলো প্লে-স্টোর থেকে  Install করুন।

Bangla Health App


Sleep Cycle App

আরও পড়ুনঃ App Development Series 1: এন্ড্রয়েড অ্যাপ বানানোর আগে কি কি জানতে হবে?

Android Bangla Information: প্রোগার্ড কী?

Saturday, July 7, 2018

সময়ের প্রয়োজনে গড়ে ওঠা সম্পর্কগুলো | Relationships

অনুপ্রেরণা
সম্পর্ক কি? আমাদের জীবনে কেনো সম্পর্কে জরাতে হয়? সবাই কেন কোনো না কোন ভাবে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত? আমরা কখনও ভাবিনা এইগুলো নিয়ে। শুধু মেনে নেই যে এইটা এমন সম্পর্ক ঐটা অমন।

ইক্টু চিন্তা করলেই বুঝতে পারবেন, প্রত্যেকটা সম্পর্কই সময়ের প্রয়োজনে গড়ে ওঠে। হতে পারে সেই প্রয়োজনটা আপনার পুরো জীবনকাল অথবা ১ দিনের অথবা ১ ঘন্টার। যেমন আপনার নিজের বাবা-মা এর সাথে আপনার সম্পর্কটা সারাজীবনের। আপনি পৃথিবীতে আসার পর থেকে সারাজীবনের প্রয়োজনেই বাবা-মা এর সাথে আপনার সম্পর্কটি গড়ে উঠেছে। আপনার জীবদ্দশায় অন্য অনেক সব সম্পর্ক গড়তে এবং ভাঙতে পারে। কোনো সম্পর্ককে হয়ত আপনি বাবা-মা এর থেকেও বেশী প্রাধান্য বা প্রাইওরিটি দিয়েছিলেন এবং জীবন না শেষ হতেই সময়ের প্রয়োজন শেষে তার সাথেও আপনার সম্পর্ক শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু বাবা-মা এর সম্পর্ক থেকে চাইলেও আপনি মুক্তি পাবেন না জীবন শেষ না হওয়া পর্যন্ত। আবার মনে করুন, আপনি একটি ট্রেনে ১ ঘন্টার সফরে কারও সাথে কথা বললেন জার্নির সময়টা কাটাতে। এখানে আপনাদের সময়ের প্রয়োজনটা ১ ঘন্টার সুতরাং সম্পর্কটাও ১ ঘন্টার। এই সময় শেষে দুইজনের মধ্যে কোনো সম্পর্ক থাকবেনা। সময় যত বছর, মাস, দিন, ঘন্টাই হোক না কেন সম্পর্ক শেষ হবেই। হয় সেইটা শেষ হবে মৃত্যু দ্বারা, অথবা রাগ, অভিমান, অহংকার বা অপর কোনো সম্পর্কে জড়াতে এবং তা শেষ হবে এই সময়ের প্রয়োজনেই।

- হিজিবিজি

আমাদের অ্যাপগুলো প্লে-স্টোর থেকে  Install করুন।

Bangla Health App


Sleep Cycle App

Thursday, July 5, 2018

Android Bangla Guidelines: এন্ড্রয়েড অ্যাপ বানানোর আগে কি কি জানতে হবে? | App Development Series 1

Bengali Android Tutorial Blogpost

বর্তমান সময় স্মার্টফোন অ্যাপ এর গুরুত্ব ও ব্যবহার বলে শেষ করা যাবেনা। প্রতিদিনের ফেসবুকের নিয়মিত আপডেট জানা, ক্যালকুলেটর নষ্ট হয়ে গেলে ফ্রী একটা সাইন্টিফিক ক্যালকুলেটর অ্যাপ খুজে ব্যবহার করা, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্রিতে তথ্য আদান প্রদান করা, ভিডিও কলিং এ ফ্রি কথা বলা সবকিছুই এখন অ্যাপ কেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। ফলে অ্যাপ বাজারে দিন দিন অ্যাপ এর চাহিদা খুব দ্রুত বাড়ছে। অ্যাপ ও বাড়ছে প্রায় সেই হারেই। কিন্তু স্মার্টফোনের এই অ্যাপ গুলো এতই মজার আর সহজ ব্যবহারযোগ্য হয় যে একই অ্যাপ এর ব্যবহারকারী প্রতিনিয়ত একই টাইপের আরও অ্যাপ ব্যবহার করতে চায়। ফলে ইউজারের প্রয়োজনের তুলনায় অ্যাপ এর সবসময় একটা ঘাটতি দেখা যাচ্ছে বর্তমান অ্যাপ মার্কেটগুলোতে। এই বৃদ্ধির হার টা এতই বেশী যে ধারণা করা হচ্ছে আগামি তিন বছরে এসব স্মার্টফোন আর স্মার্টফোন অ্যাপ ব্যবহার কারির চাহিদা দ্বিগুন হয়ে যাবে। ফলে সহজেই লোভনীয় পেশা হিসেবে সবাই অ্যাপ ডেভেলপার হতে চাইছে। কিন্তু এত বিপুল সম্ভাবনার জায়গায় কী আর এতো সহজে কাজ করার সু্যোগ পাওয়া যায়? এইখানেও কম্পিটিটর প্রতিদিন বাড়ছে। আপনি আজই একটা ভালো অ্যাপ বানিয়ে ফেলে অনেক ইউজার পেতে থাকলে হয়ত কিছুদিনের মধ্যেই আপনার অ্যাপ এর ফিচারগুলো নিয়ে আরও উন্নতমানের অ্যাপ বানিয়ে অন্য একটা অ্যাপ ডেভেলপার আপনার ইউজার নিয়ে নিবে। আবার একটি অ্যাপ আগে থেকেই খুব ভালো ইউজার স্যাটিস্ফেকশান দিচ্ছে, এবং অ্যাপটির ডাউনলোড সংখ্যা মিলিয়নের কোটায় আর তাহলে আপনি এই অ্যাপ এর ফিচারগুলো নিয়ে আরও ভালো অ্যাপ বানালেও সেই অ্যাপ এর সব ইউজার নিজের দিকে নিতে পারবেন না। কারণ মিলিয়ন ডাউনলোডের এক একটি অ্যাপে এতই রিভিউ আর রেটিংস থাকে যে সেইটার সার্চ কিওয়ার্ড র‍্যাংকিং এ অনেক অপরে উঠে থাকে। তাই কোনো অ্যাপ বানানোর সময় সেইটায় মার্কেটের চাহিদা। অন্যান্য অ্যাপ এর অবস্থা জেনে আপনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আপনি কেমন অ্যাপ বানাতে চান।

অ্যান্ড্রয়েড বিভিন্ন দিক নিয়ে আমি একটা সিরিজ লিখার চেষ্টা করছি। আজ সেইটার প্রথম পর্ব "App বানানোর আগে কী কি জানতে হবে?" সেইটা নিয়ে লিখছি।

অ্যাপ বানাতে হলে আপনার কি কি করতে হবে বা কিভাবে আপনি নিজের ইচ্ছা মত একটি অ্যাপ বানাতে পারবেন বা Android এর কাজ শুরু করার আগে আপনার কী কি জানতে হবে এগুলো সবকিছুর Process কে ৩ ধাপে ভাগ করা যেতে পারে।

১। প্রোগ্রামিং এর ব্যাসিকঃ আপনাকে যে কোনো প্রোগ্রামিং Language এর Basic শিখতে হবে প্রথমেই।
এক্ষেত্রে সহজ কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা যেমন সি বা পাইথন শিখতে পারেন। এইটা করতে মিনিমাম ১ বছর সময় দিতে হবে। ভার্সিটিতে সি.এস.সি বা এমন বিষয়ে পড়ে থাকলে ২য় বর্ষ শুরুর আগ পর্যন্ত এইটা ভালোভাবে করে নিতে পারেন।

২। জাভার OOP Conceptঃ আপনি ১ বছর সময় ধরে বেসিক প্রোগ্রামিং খুব ভালো বুঝে থাকলে এখন আপনার কাজ হলো Java Programming শেখা। অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং (OOP) এর সম্পুর্ন ধারণা আর ইমপ্লিমেন্টেশন না করতে না পারা পর্যন্ত পরের ধাপে যাওয়া ভালো হবেনা। তাই Java Inheritance, Function overloading, overriding, class implementation, object creating, Polymorphism, Abstraction, Encapsulation এগুলো জানতেই হবে। ভার্সিটিতে জাভার কোর্স করে থাকলে বা এই Java course চলতে থাকলে এগুলো শিখতে বেশী সময় লাগবেনা।

৩। যেকোনো Mark-up Language এ ডিজাইনিং এর ধারনাঃ উপরের দুইটা ধাপ ভালভাবে করে থাকলে এখন আপনি কিছুদিন html দিয়ে কয়েকটি ওয়েবপেইজ ডিজাইনিং করতে পারেন। এইটা না করলেও সমস্যা নাই অতটা তবে করলে ভালো যেহেতু অ্যান্ড্রয়েডের Layout XML ল্যাংগুয়েজ দিয়ে ডিজাইন করতে হয় আর এক্স এম এইল অনেকটা এইচ টি এম এল এর মতই।

প্রোগ্রামিং বা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কিত যেকোনো পোস্ট করতে অথবা Post পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করুন।
গ্রুপ লিংকঃ https://web.facebook.com/groups/907850785973393
অথবা যেকোনো জিজ্ঞাসা বা প্রশ্ন থাকলে আমার ফেসবুক আইডিতে মেসেজ করতে পারেন।
ফেইসবুক আইডিঃ https://web.facebook.com/sakib.hossain.cs

অন্য পর্বগুলো পেতে ব্লগের লিংক টি Save করে রাখুন। https://sakibhs.blogspot.com/

আরও পড়ুনঃ 
App Development Series 2: শেখার শুরু
Android Bangla Information: What is Proguard? | প্রোগার্ড কী?

আমাদের অ্যাপগুলো প্লে-স্টোর থেকে  Install করুন।

Bangla Health App


Sleep Cycle App

Wednesday, June 20, 2018

আঁধার ও আলোর ছোট্ট একটি গল্প | Short Facebook Status

Alo r Adhar
 প্রতি রাতে আধার হন্য হয়ে খুজে বেড়ায় আলোকে। কিন্তু বদমাইশ আলোটা সারারাত লুকিয়ে থাকে আধারের বুকের মাঝখানে। কখনো সে দেখা দেয় না আধারের কাছে। সারারাত তন্ন তন্ন করে আলোকে খুজে ক্লান্ত আধার ভোরের আগেই ঘুমোতে চলে যায়। আর এই সুযোগে বদমাইশ আলো চুপটি করে বের হয়ে যায় অন্ধকারের বুক থেকে। এখন তার আনন্দের পালা শুরু সারাদিন ঘুরে বেড়াবে ইচ্ছা মত যেখানে সেখানে। এই না অন্ধকার জেগে যায়, এই ভয়টাও কিন্তু হয় সবসময়। তবে সন্ধ্যার আগেই মনের আনন্দে ঘুরে ঘুরে আলোটাও ক্লান্ত হয়ে যায়। দেখতে পায় আধারের ঘুম ভেঙে যাওয়া ভাব আর অস্থির চোখের পাতা। ক্লান্ত আলো তারাতারি এসে আবার ঢুকে পড়ে আধারের বুকের মাঝখানে। দিন শেষে বোকা আধারটার ঘুম ভাঙলে আবার সে তন্ন তন্ন করে খুজে বেড়ায় আলাকে। এভাবেই চলতে থাকে দিনের পর দিন আর রাতের পর রাত। কিন্তু আঁধারের আলো পাওয়ার আকাঙ্ক্ষাটা বিন্দুমাত্র কমেনা। 

- সাকিব হোসাইন


পোস্টটি ফেসবুকে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।


মূল ফেসবুক পোস্ট এইখানে। 

আরও পড়ুনঃ 
একটি গাধা ও ব্যাক্টেরিয়ার প্রেম কাহিনি (গল্প) 

অপেক্ষা নামক গল্পটি


আমাদের অ্যাপগুলো প্লে-স্টোর থেকে  Install করুন।

Bangla Health App


Sleep Cycle App

Sunday, June 17, 2018

বিশ্বকাপ ফুটবলে কোন দেশকে সাপোর্ট করা উচিত? | Football World Cup 2018

কিভাবে আমরা খেলায় কোনো দলকে আমার সাপোর্ট করি National Geography Channel এর Brain Games নামক show তে সেইটার একটা ডকুমেন্টরি দেখেছিলাম। ইউটিউবেও সার্চ করা হলে পাওয়ার কথা। ডকুমেন্টরিটা দেখিয়ে যা বোঝানো হয়েছে তাহলো আমরা যদি নিজের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অংশীদারিত্ব ছাড়া যে দলকেই সাপোর্ট করিনা কেন খেলা খেলা শেষে ইক্টু হলেও আমরা হতাশ হব এইটা ভেবে যে কি দরকার ছিলো এমন জিনিস সাপোর্ট করার যেইটার রেজাল্টে আমার বিন্দুমাত্র কোনো লাভ-লোকসান পাওয়া গেলোনা। আমি শুধু বিনোদনের জন্য খেলা পক্ষে নই। প্রত্যেকটা জিনিস করা সেইটা খেলা দেখাইবা হোক না কেন সেইখানে শেখার কিছু থাকতে হবে। এইটা না থাকলে সেটা করা নেহাতি বোকামি ছাড়া কিছুই না। এবার আসি ফুটবল খেলা নিয়ে। আমরা খুব ভালো করে জানি যেই দেশে আমরা বাস করি সেই দেশে ফুটবলের অবস্থা কেমন। আমরা ফিফা র‍্যাংকিং এ কখনও উঠিনা। সবসময় নামি। কয়েকদিন আগে দেখলাম ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিং এ বাংলাদেশ ১৯৪ তম। এত করুন র‍্যাংকিং থেকে কখনও বাংলাদেশ ফুটবলে উঠে আসবে এবং বিশ্বকাপ খেলবে এবং সেইটা আমরা আমাদের জীবদ্দশায় দেখে যেতে পারবো বলে আমার মনে হয়না কখনও। নিজের দেশ নাই মানে একক ভাবে কোনো দলকে সাপোর্ট করার কিচ্ছু নাই ভাই। কিচ্চু নাই। যদি থাকে তাহলেই আপনি বিনোদনের জন্যই খেলাটা দেখে শুধুমাত্র নিজের Frustrations বাড়াচ্ছেন। বিনোদনের সাথে কিছু শিখতে পারছেন না। শিখতে পারলে নিজের কিছু লাভ হত। ফলে Frustration টা আসতো না। শেখার সাথে বিনোদন কিন্তু বিন্দুমাত্র কমেনা। বরং আমি বলবো প্রতিটি জিনিস করার সাথে কিছু শিখতে পারলে অনেক বেশি আনন্দ পাওয়া যায়। সেইটা বিনোদনের জন্য খেলা দেখা হোক আর কন্টেস্টে পার্টিসিপেইট করা হোউক। এখন কথা বলা যাক সাপোর্ট কোন ফুটবল দলকে করবো সেই Topic নিয়ে। যেহেতু নিজের দেশের ফুটবল দলটা বিশ্বকাপ খেলেনা কোনো বারই তাই একতরফা ভাবে একটা দলকে সাপোর্ট করা কোনো কারণ বা লজিক কোনটাই নাই। আমি নিজে ব্রাজিলকে ছোটবেলা থেকে একতরফা ভাবে সাপোর্ট করে এসেছি। বিনোদনের মেলা ঘাঠতি ছিলো তখন। গতবার যেইভাবে ব্রাজিল নিজের দেশে সেভেনাপ খেলো তারপর থেকে এমন একটা দলকে সাপোর্ট করার কোনো কারণ খুজে পাইনা। বিশ্বসেরা ফুটবল দল হয়ে যেইদল টা নিজের মাটিতে নিজের ইজ্জত বাচাইতে পারেনা তারা আর যাইহোক একতরফা ভাবে সাপোর্ট পাওয়ার যোগ্যতা রাখেনা। ইনফ্যাক্ট কোনো দলই একতরফা সাপোর্ট পাওয়ার যোগ্য না একমাত্র নিজেদের দেশের দল বা নিজের দেশের কোনো উপস্থিত প্লেয়ারের দল ছাড়া। আচ্ছা শেখার বিনোদনের কথা গেলো। সাপোর্ট কাকে করবো তাহলে? আপনি যদি বিনোদন ও শেখা দুইটাতেই সর্বোচ্চ পরিমাণ মজা নিতে চান তাহলে খেলাটাকে সাপোর্ট করুন কোনো দলকে নয়। খেলাকে সাপোর্ট করলেই আপনি নিজেই একজন ভালো খেলার ভক্ত হয়ে যাবেন। এখন ভালো খেলা আর্জেন্টিনাও খেলতে পারে। ব্রাজিলও পারে। জার্মানি তো প্রায় সব বারই পারে। এর ফলে আপনি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নিয়ে অন্তত কোন্দাকুন্দি সংক্রান্ত আজাইরা ভেলুলেস জিনিসে কম লিপ্ত হবেন। কেউ যখন জিজ্ঞাসা করবে আপনি কোন দলের সাপোর্ট করেন আপনি নির্দিধায় বলেন যে যেহুতু নিজের প্রত্তক্ষ্য বা পরোক্ষতার সুযোগ নেই তাই যেই দল ভালো খেলবে আপনি সেই দলের সাপোর্টার। যেমন আমি এইবার জার্মানিকে সাপোর্ট করছি। প্রতিবার জার্মানির মত এমন লাগাতার ভালো পারফরমেন্স ব্রাজিল-আরজেন্টিনা বা অন্য কোনো দল দেখাতে পারেনা।

সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।

২০১০ সালের কথা। আমার পছন্দের একটা স্যার ছিলো এই জার্মানির সাপোর্টার। যেহেতু আমি সবসময় নিজে অনুপ্রাণিত হতে ও অপরকে অনুপ্রানিত করতে পছন্দ করি তাই বুঝতে পারছেন স্যারটাকে পছন্দের কারণ তাঁর দেওয়া অনুপ্রেরণা যেগুলো আমার খুব ভালো লাগতো। স্যার কেনো জার্মানিকে সাপোর্ট করে এইটার উত্তর জানতে চাইলে স্যার বলে ছিলো যে তোমরা দেখবে জার্মানি সবসময় পাওয়ার ফুটবল খেলে। অর্থাৎ যত যাই ঘটুক খেলার মধ্যে তারা তাদের খেলাটাই খেলে যায় এবং প্রতি বছরই তাদের পার্ফরমেন্স এভারেজ থাকে প্রায়। এই কারনেই হয়ত ব্রাজিলের মত ৮ বার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার ভাগ্য জার্মানির হয়েছে। যদিও ব্রাজিলের বিশ্বকাপ ফাইনাল জেতার সংখ্যাটা বেশী। কিন্তু নেইমার, মেসি, রোনালদো বা রলান্দিনহো এর মতো কোনো আইকোন প্লেয়ার তাদের থাকেনা।   সেইবার ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা দুইটা দলই কোয়ার্টার ফাইনালে বাদ পড়েছিলো। কোয়ার্টারে প্রথমে ব্রাজিল নেদারল্যান্ডসের কাছে ১-২  গোলে হেরে ইলিমিনেট হয়ে যায়।

 ওজন সঠিক সীমাতে রাখার স্বাস্থ্য ভিত্তিক অ্যাপ টি প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।

 তখন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা অনেক বেশি লাফালাফি করে। যাই হোক আমরা তো সেই হুজুগে বাঙালি জাতি বুঝতে হবে। এমনি অবস্থা যে তারা আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কাছে আর্জেন্টিনা জিতার থেকে ব্রাজিলের হারই সেইখানে অনেক বেশী important। আর এর পরের দিনই আরজেন্টিনাকে ৪-১ গোলে অমানবিক ভাবে কোয়ার্টার রাউন্ডে হারিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় করে জার্মানি। তারা সেইবারো ব্রাজিলের 7up এর মতই কিইছু খেতো। কিন্তু তারা ব্রাজিলদের মত আবাল ছিলোনা অতটা। ঠিক বুঝে গিয়েছিলো যে এই ম্যাচ জেতা সম্ভব না তাই ডিফেন্সটাও বজায় রেখেছিলো স্ট্রাইকের চেষ্টাও করে যাচ্ছিলো। কিন্তু ২০১৪ সালে সেমিফাইনালে জার্মানির সাথে ২২ মিনিটে ২টা গোল খেয়ে ব্রাজিল মরিয়া হয়ে ডিফেন্সের প্লেয়ারসহ এটাক করা শুরু করে। নিজের দেশে খেলার দাপটে মরিয়া হয়ে গোল শোধ করতে যেয়ে তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে লজ্জাজনক হারটা হারে। এরপর থেকে ব্রাজিলকে সাপোর্ট করার কিচ্ছুনাই আমার কাছে। 
তাই খেলায় বিনোদনের সাথে শেখাটা বজায় রাখতে ভালো খেলে দলকে সাপোর্ট করুন। যতদিন দলটি ভালো খেলে ততদিনই সাপোর্ট করুন। 

আমার এই হিজিবিজি ব্লগের ফ্যানদের অনেক ধন্যবাদ। আলহামদুলিল্লাহ্‌ আপনারা পোস্টগুলো পড়েছেন জন্যই এত কম কন্টেন্টে এতবেশী পেইজভিউ হিট করছে। সবাই ভালো থাকবেন। জাযাকাল্লাহু খাইরুন।




আরও পড়ুনঃ কি করা উচিত? আর কি করছি.! কি ই বা করার আছে? কিভাবেই বা করা যাবে। | Motivation | Elon Musk 

নিজেকে অনুপ্রাণিত বা মটিভেট করার উক্তি সমূহ (Quotes of Motivation) 

কিভাবে আমরা আমাদের শৈশবের আনন্দ গুলো আবার ফিরে পেতে পারি?

ইসলামে পর্দা (হিজাব) সম্পর্কিত সুন্দর একটি গল্প (হালাল রোমান্টিসিজম)

পানি চর্বি বা শরীরে পানি জনিত ওজন (Water Weight in Body)

Saturday, May 12, 2018

কি করা উচিত? কিভাবেই বা করা যাবে? করার কিছু আছে কী? | Motivation | How to be an Entrepreneur?



চাওয়ার মধ্যে বা কারো দ্বারা কোনো কিছু জোড় পূর্বক আদাই করে নেওয়ার মধ্যে সেই সুখ কোথায়, যেইটা নিজের জিনিস দিয়ে কিনে নেওয়ার মধ্যে আছে। হোক সেইটা ভালোবাসার দ্বারা বা টাকা-পয়সার বা নিজের অন্য কোনো সম্বল দ্বারা। তবুও নিজের দ্বারাই পাওয়াটা হোক। অপরের ওপর ডিপেন্ড না করে নিজের জিনিস দিয়ে কোনো কিছু ক্রয় করে দেখুন ভালো লাগবে। ইতিহাস সাক্ষী, টাকা দিয়ে সবসময় ওই টাকার সমতুল্য আরটিফিসিয়াল জিনিস পাওয়া গেছে। রাগ দ্বারা বার বার রাগ পাওয়া সম্ভব। কাউকে আনলিমিটেড ভালোবেসে তার থেকে রাগ বের করে দেখান। যদি বের করতে পারেন ঐটা রাগ না। রাগ নামের ভালোবাসা। ভালোবাসা দিয়ে ভালোবাসাই কিনতে পারবেন। ভালোবাসা দিয়ে টাকায় পাওয়া যায় এমন কোনো কিছু কিনতে পারবেন না। তেমনি রাগ বা কষ্ট দিয়ে ভালোবাসা পেতে চান? সেইটাও অসম্ভব। অবশ্য রাগ বা কষ্টের নামে ছদ্মবেশে ভেতরে ভালোবাসা থাকলে সেইটা ভিন্ন কথা। পড়াশুনা করে সার্টিফিকেট পাওয়া সম্ভব। চাকরি করতে হলে যোগ্যতা লাগবে বস। হোক সেইটা জ্ঞ্যানের যোগ্যতা বা পরিশ্রমের অথবা অন্য কোনো কিছুর। কিন্তু যোগ্যতা মাস্ট। গতানুগতিক পড়াশুনা করে যেই চাকরিগুলো পাওয়া যায় সেইটাও আপনার সার্টিফিকেট পাওয়ার মতই। মানে নিতান্তই আবর্জনা ছাড়া কোনো কাজের না আর কি! লক্ষ্য রাখতে হবে পড়াশুনার দ্বারা আপনি রাট্টা মেরে যাচ্ছেন নাকি সত্যিই জ্ঞ্যান অর্জন করে কিছু শিখে যাচ্ছেন। যদি রাট্টা মেরে যান বা পরীক্ষায় পাস করার জন্য পড়ে থাকেন তাহলে পরীক্ষা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই শেষ হয়ে গেল আপনার পড়াশুনা। তাই এই পড়াশুনা দিয়ে ক্রিয়েটিভ চাকরি পাওয়া near to impossible প্রায় অসম্ভব আরকি!! কি? ওহ আচ্ছা জ্ঞ্যানার্জনের জন্য পড়াশুনা করেন। For Learning purpose only? ওয়াও। আচ্ছা আপনাকে একটা প্রশ্ন করি। আপনি পারবেন সারাজীবন শুধু নিজে জ্ঞ্যান অর্জন করে যেতে? শুধু এইটাতেই সন্তুষ্ট থাকতে? অথবা শুধু নতুন কিছু জানলেই কি আপনার প্রয়োজন শেষ? তাহলে আপনাকে স্বাগতম। আপনার জন্যই পড়াশুনা। এইটা করলেই জীবনে স্যাটিস্ফাইড থাকবেন হয়ত। একদিন হয়ে যেতে পারেন বড় সাইন্টিস্ট অথবা খ্যাতিমান কোনো ব্যাক্তি (Depends on what have you study in your life)। আমাদের সময় এস.এস.সি অথবা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত  প্রায় অনেকেই এমন পড়াশুনাটা করতো যেইটাতে জানার অনেক বিষয় ছিলো পড়তে ভালো লাগতো। যদিও এখনকার পোলাপাইনদের অনেকেরি সেইটাও নাই। পড়া লাগে তাই পড়ে যাচ্ছে। যাতে রেজালটের পরে বলতে পারে "I am G.P.A 5" হু হা হা। তারা জানেওনা তাদের এই আনন্দটার আর ৪-৫ বছর পরে কি পরিণতি হতে চলেছে। সবার চলার রাস্তাতে ভুল থাকাটা স্বাভাবিক। ছোট বেলা থেকে কিছু সময় হয়ত সঠিক রাস্তা দিয়েই হাঠতে থাকি আমরা। কিন্তু পরিবেশ বা আমাদের আশেপাশের সুশীল সমাজের জন্য পথ টা হারিয়ে ফেলে। এই হারানো পথটি খুজে পাওয়াও অনেক সহজ। কিন্তু একবার দৌড় প্রতিযোগিতায় লেগে গেলে সঠিক পথ বের করা কঠিন। Race এর ট্র্যাকেই সবাই ছুটতে থাকে তখন। নিজের খুশি থাকা কে প্রায় ভুলে যায়। ক্ষনস্থ্যায়ী আনন্দকে আপন করে নেয়। একটা রেস শেষতো আরেকটা শুরু। Race টা থামান ভাই নিজে কি করছেন কেন করছেন সেইটা আগে জানুন এবং বুঝুন। আপনার কাজের সঠিক Motive খুজুন। 

সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।
 
এস.এস.সি অথবা ইন্টারে সাইন্সে পড়ছেন? সাইন্সের মজা লুটুন ইচ্ছা মত। ইজ্জট টাও লুটুন। কেউ বাধা দিবেনা। নিউটনের সূত্র পড়ে দুই একটা আপেল, কমলা বা এটলিস্ট পেয়ারা নিজের মাথায় ফেলে দেখুন। হতেও পারে নিউটন সূত্রটি আবিষ্কার করে যেই মজা টা পেয়েছিলেম আপনি তার পুরোটাই বা কাছাকাছি মজা পাচ্ছেন। আর ভার্সিটিতে উঠে পড়াশুনায় মগ্ন থাইকেন না। অন্তত বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে পড়াশুনা দ্বারা জ্ঞ্যান ভিক্ষা হবেনা। সেইখানে অন্ন ভিক্ষা হতে পারে। শুধু অন্নই হবে কিন্তু। অন্য কিছু পেতে হলে নিজের Motive অনুযায়ী যেকোনো কাজ করুন। ঐ কাজটি করুন যেইটাতে আপনার Talent আছে। ট্যালেন্টারে আবার ভুল বুইঝেন না। আপনার একটা ট্যালেন্ট আছে সেইটা আমার নাই এইটা একান্তাই ভ্রান্ত একটা ধারণা। লাইক কুসংস্কার। যেইখানে আমাদের আজাইরা কিছু জিনিসপাতির প্রতি অগাধ বিশ্বাস থাকে যেইটা নিতান্তই অযুক্তিক বা ফেইক। Talent জাস্ট দুইটা ফ্যাক্টর ছাড়া কিছু না। nothing!! ১ হলো আপনার কাজটা করতে কেমন লাগে + ২ হল আপনি সারাজীবন সেই কাজটি করে সুখী হবেন কি না। যদি এমন একটা কাজ আপনার কাছে থাকে (অবশ্যই পজিটিভ কোনো কাজ যেইটা সমাজ accept করবে) এবং কাজটি এমন যে সেইটা করতে দিলে আপনি দিনের পর দিন রাতের পর রাত করে যেতে পারবেন কিন্তু বিরক্ত আসবেনা। এইক্ষেত্রে কিন্তু সখের জন্য করে যাওয়া কিছু কাজ বা মনের আনন্দ যেমন ভিডিও গেইমস খেলে সময় টা কোনোরকম কাটানোর মত কাজ select করা যাবেনা। আর মজার জিনিসটাও আসলে ক্ষণস্থায়ী। পারবেন দিনরাত ২৪ ঘন্টা games খেলে যেতে। পারলে ঐটা সখ না নেশা হয়ে গিয়েছে আপনার। আর নেশা তখনোই হয় যখন আপনি কোনো একটা জিনিস নিয়ে খুব বেশী বিষণ্ণ এবং sei depression থেকে বাঁচতে নিজেকে আনন্দ দেওয়ার কাজে ব্যস্ত থাকছেন গেইমস খেলে। নেশা খুব দ্রুত ত্যাগ করতে হবে যদি জীবনটা রক্ষা করতে চান। আর যদি সখটা শেখার মাধ্যমে আয়ত্ত করে থাকেন (Like Gardening) তাহলে ঠিক আছে। বুঝলাম তাহলে আপনার বাগান করতে ভালো লাগে। এখনই আসলো দ্বিতীয় প্রশ্ন। আপনি কি পারবেন সারাজীবন এইকাজটা করে যেতে বা এইটাই কি আপনার সেই সখ যেইটা আপনি সারাদিন করে ক্লান্ত হননা পারলে সারারাতও করবেন এবং কাজ শেষে আপনি খুশি হলেও আপনার মধ্যে কাজটা আরও সুন্দর করার তীব্র ইচ্ছা আছে। তাহলে এইটাই আপনার ট্যালেন্ট। এইটাই আপনার Passion। এইদিকে আগান। সৃষ্টিকর্তা চাইলে অবশ্যই সফল হবেন এই কাজে। না সফল হলেও দিন শেষে, মাস শেষে অথবা এমন কাজ করে বছর পার করলেও আপনার আফসোস হবেনা যদি অন্যকে দেখে কাজ করার বদঅভ্যাস টা না থাকে।আর যদি এসব কোনো কারনে আফসোস হয়ে যায় তাহলে এইটা আপনার ট্যালেন্ট কিন্তু আপনি এই ব্যাপারে আর প্যাশানেট না। এইটাতে আপনার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু আপনার প্যাশানটি হারিয়ে ফেললেন। ট্যালেন্ট খুজে বের করার পর যদি আপনার কাজের প্যাশানটা এভাবে হারিয়ে যায় তাহলে আপনার প্যাশানটি ফিরে পেতে বিজনেস শিখুন। দেখুন যেই প্রডাক্টিভ কাজটা আপনি করছেন সেইটার মার্কেট প্লেস্টা কেমন বাজারে। আর যদি আপনি আপনার ট্যালেন্ট টাকে একদমি খুজে না পান তাহল কোনো প্রোডাক্টিভ বিজনেস আইডিয়া বের করেন। Let's be a businessman dude! এইটাতে বিরক্ত হয়না লোকজন সাধারণত। আসলে এইটায় মজা পেয়ে গেলে bore হওয়া কঠিন। কিন্তু মজাটা কাজে পেতে হবে। টাকায় মজা পেলেই যেইটুকু পাইছেন ঐটুকুতেই আটকে যাবেন আর যোগ্যতাটা লিমিটেড করে ফেলবেন। যোগ্যতা লিমিটেড মানে কাজটাও লিমিটেড। আর কাজ লিমিটেড মানে টাকাটাও লিমিটেড। How Pathetic!! Isn't it ? টাকার মজা সারাজীবন পাইতে হলে কাজের মজাকে আপন করে নিতেই হবে এবং কাজের মজাকে টাকার মজা থেকে উপরে রাখতে হবে Always.


তো করতে চান ব্যবসা? Entrepreneur হবেন? চলেন তাহলে কোনো প্রাইভেট ভার্সিটিতে বিবিএ তে ভর্তি হই। ৪-৫ বছর পড়াশুনা করে BBA, MBA complete করি। এরপর বড় Businessman হয়ে যাই?  কি মনে হয় সম্ভব এইটা? বলেন? এইটাও অসম্ভব অনেকটাই। ইনফ্যাক্ট ৯৯ পারসেন্ট সম্ভাবনাও নাই। ইতিহাস এখানেও সাক্ষী বিশ্বের টপ বিজনেসম্যান বা ইন্টারপ্রেনরদের মধ্যে একটিও বিবিএ এর লোকজন নাই। চাইলে খোঁজ নিয়ে দেখেন কয়টা সফল ব্যবসা প্রশাসনের লোকজন সফল বিজনেসম্যান? আচ্ছা সফল বাদ দেন, দেখেন কয়টা ব্যবসিক আছেন Business Administration এর লোকজনদের মধ্যে? পাইছেন খুইজা? পাননি। পাইলেও হাতে গোনা কয়েকজন হবে। দুই একটা যদিও থাকে তাহলে তারা ঐটাতে পড়াশুনা করে ব্যবসা করতে আসেননি। Business  দ্বার করিয়ে পড়াশুনা করেছেন যাতে বিজনেসটা অরোও ভালো এবং বড় করতে পারেন তারা। এই পড়াশুনা তাদের কাজে লাগছে। কেন? কারন এইখানে পড়াশুনার মটিভ টা পরীক্ষা দেওয়া না বস, তাদের প্যাশান, যেইটার জন্য তারা সবকিছু ত্যাগ করেছেন। এতই passionate তারা যে কাজটা আরও বেটার করার জন্য পড়াশুনা করেছেন। এইখানে পড়াশুনা কাজ করবে। আর আপনি পড়েন পরীক্ষায় পাস করতে? হাহ!

ওজন সঠিক সীমাতে রাখার স্বাস্থ্য ভিত্তিক অ্যাপ টি প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।

 তাই দিন থাকতে পথ দেখুন। আর সব মানুষ যা করছে আপনি তা করবেন না। কখনই না। নিজের Satisfaction টা বুঝুন। না বুঝতে পারলে খুজুন। আপনার চিন্তা করার শক্তি আছে আপনি ভেড়া না যে কয়েকটা ভেড়া একদিকে দৌড় দিলো দেখে আপনিও ঐদিকে দৌড় দিবেন। আপনি মানুষ এবং আপনার চিন্তার শক্তির কোনো লিমিটেশন নাই। Limitless চিন্তা করুন। লোকজন পাগল ভাববে? ভাবুক। আপনি জাস্ট বলে দেন হ্যা আমি পাগল আমার কাছে থেকে দূরে সর। টপ রেটেড যত মানুষ পৃথিবীতে আছে খোঁজ নিয়ে দেখবেন। সবাই পাগল। Elon Musk কে চেনেন? এক্স ডট কম এর ফাউন্ডার, রকেট সাইন্টিস্ট। জানেন এই এক্স ডট কম কী? এইটা হলো বর্তমান পেপাল। ১২ বছর বয়স থেকে এই মানুষটা প্রোগ্রামিং শুরু করেছেন এবং তার রকেট সাইন্সের কোনো প্রতিষ্ঠানিক জ্ঞ্যান নেই। তিনি নিজে নিজে বই পড়ে পড়ে আর অনলাইনের তথ্য থেকে রকেট সাইন্স শিখেছেন। আপনি কোনো প্রযেক্ট থেকে ১৬৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৩০০ কোটি টাকা আসে তাহলে আপনি কি করবেন। আপনার কি মনে হবে নতুন কোনোকিছু শিখে এই বিপুল পরিমাণ টাকা সেইটার প্রতি ইনভেস্ট করি? অবশ্যই চাইবেন না সেইটা। এইটা পাগলের কাজ। আপনি তো আর পাগল না। কিন্তু ইনি সেই পাগল যিনি পেপাল এর সিইও এর পদ ছেড়ে ১৩০০ কোটি টাকা পেয়ে সবগুলো টাকা দিয়ে টানা তিন তিন বার তার নতুন রকেট ব্যবসাতে ইনভেস্ট করেন এবং তিন তিন বারই সফলভাবে লোকসান করেন। সফলভাবে কেনো? কারণ এইতিন বারে তিনি তার সব টাকা বিসর্জন দিলেও ৪র্থ বার শুধু সফলই হন না বরং লোকজনকে তাক লাগিয়ে রকেট মহাশূন্যে পাঠান এবং এটিকে আবার সফলভাবে ফিরিয়ে মাটিতে সেইফ ল্যান্ডিং করান এবং নাসার রকেট বহনের খরচ প্রায় ১০ ভাগ কমিয়ে দেন। এরপরেই তিনি নিজের রকেট কোম্পানি স্পেস এক্স নির্মান করেন। বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এই স্পেস এক্স এর হাত ধরেই তার কক্ষপথে নিক্ষিপ্ত হলো।
হিন্দি কথা বুঝে থাকলে তাকে নিয়ে করে বিবেক বিন্দ্রার এই ভিডিও টা দেখতে পারেন।


জীবনের প্রতিটি ধাপ থেকে শিক্ষা নিন। জীবন শুধু অন্যের দোষ ধরার আর নিজের দোষ ঢেকে সরকারকে চাকরি না দেওয়ার দোষ দেওয়ার জন্য নয়। ইলন মাস্ক আপনার আমার মতই মানুষ। শুধু আপনার আমার চাই তার মত সৎ সাহস। পাগল হতে হবে বস পাগল। পাগল ছাড়া দুনিয়া চলবেনা। আরও অনেক পাগলের দরকার এখন এই পৃথিবী তে। কোনো চেঞ্জ আনতে হলে নিজের উপরে আগে আনতে হবে। চেঞ্জ এমনি এমনি আসবেনা। স্পেস এক্স এর পরে তাকে আর কোনো লোকসানের হিসাব গুনতে হয়নি। ১৯.৭ বিলিয়ন ডলারের মালিক এখন তিনি। কিন্তু এখনো হয়তো যেকোনো সময় তিনি এত টাকা আবারও বাজি ধরতে পারেন পৃথীবিতে নতুন কোনো চেঞ্জ আনতে। কি আর করবে ভাই সে তো আমার আপনার মত সাধারণ লোক নয়। একজন মেন্টাল। পরিবর্তন চেয়ে আগে নিজে পরিবর্তিত হয়ে পরিবেশ টাই বদলে দেওয়া এমন হাজার সফল মানুষের কাহিনী ঘেঁটে প্রমান দেখতে পারেন তাদের সাফল্যে আসার পথটি প্রায় একই রকম। হয়তো ইলন মাস্ক তাদের থেকে কিছুটা ডিফারেন্ট। কিন্তু অনেকাংশ মিল তো থাকবেই। তার একটা উক্তি ছিলো, "I don't do what can be done. I do what is needed to be done" অর্থঃ আমি সেইটা করিনা যেইটা করা যায়, আমি সেইটাই করি যেইটা করা প্রয়োজন। অবাক হচ্ছেন? হওয়ারি কথা। আপনিতো বাচ্চা ছেলের মত অবুঝ না বা ইলন মাস্কের মত Mental পাবলিক না। তবে পাগল হন। মজা পাবেন। টাকা না আসুক মজা পাবেন। দুনিয়া হাসবে কিন্তু আপনি মজা পাবেন এইটা শিওর। কারণ পাগলরা সফল হোক আর বিফল। সে মজায় থাকে সবসময়। তার মজারও কোনো লিমিটেশন নাই। ভুলে যাবেন না তারাই আপনার দুনিয়াটা সাজায় যেইটাতে আপনি ক্ষণিকের সুখটা পাচ্ছেন।

তথ্যসুত্রঃ https://en.wikipedia.org/wiki/Elon_Musk, ইউটিউব এন্ড ফেইসবুক।

Share This post with your friends on Facebook.


আরও পড়ুনঃ

১। সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ (SleepyTube)

২। নিজেকে অনুপ্রাণিত বা মটিভেট করার উক্তি সমূহ (Quotes of Motivation)

৩। যে কারণগুলো একজন ব্যক্তিকে পর্ন দেখতে বাধ্য করে

৪। কিভাবে আমরা আমাদের শৈশবের আনন্দ গুলো আবার ফিরে পেতে পারি

৫। জাপানিজদের সফল হওয়ার মতবাদ (Theory Of Japanese)



Thursday, May 3, 2018

Android Bangla Guidelines: What is Proguard? | প্রোগার্ড কী?

App Development Tutorial
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপ করে রিলিজ করার সময় সবথেকে বেশি যেই জিনিসটির ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত তাহলো আপনা অ্যাপের safety বা নিরাপত্তা। এপ বানানোর পরে এপটি মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম (Android OS) এ চলার জন্য আপনার বিল্ট করা অ্যাপ এর সবগুলো ফাইল(Java Class, Images, XML Designs or Layouts etc)  অ্যান্ড্রয়েড প্যাকেজ ফাইল বা apk ফাইলে এনক্রিপ্টেড হয়ে যায়। কিন্তু ভেতরের কোডগুলো encrypted হয়না। আর এই এনক্রিপ্ট করা এপিকে ফাইলটি খুব সহজে decrypt করা যায়। এর ফলে যেকোনো হ্যাকার আপনার অ্যাপ এর সব ফাইল গুলো খুলতে পারে এবং আপনার সমস্ত কোড যেগুলো encrypt করা নেই সেইগুলো দেখে নিতে পারে বা সেইখান থেকে কপিও করে নিতে পারে। আমরা সবসময় আমাদের কোড এমনভাবে লিখি যেন পরে আপডেট করার সময়  কোডগুলো দেখে আমরা বুঝতে পারি যে আসলে কি করেছিলাম এইখানে। ফলে হ্যাকাররাও বুঝে যাবে কোড দেখে যে আপনি আপনার অ্যাপ এর কোন কাজের জন্য কোন কোড কিভাবে implement বা বাস্তবায়ন করেছে। সুতরাং আপনার অ্যাপ টি পাইরেট হয়ে গেলো। আপনি নিশ্চই সেইটা চান না।

ঘুমানোর অ্যাপ
সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপটি প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।

এটি যেন না হয় সেইজন্য Android Studio তে ডিফল্ট ভাবে প্রো-গার্ড (proguard) নামের একটা পদ্ধতি দেওয়া আছে যেইটা ব্যবহার করলে আপনার কোডগুলো সব এমন সাংকেতিক কিছু কোডে রূপান্তরিত হবে যেন সেইটা দেখে কখনোই বুঝা না যায় যে আপনি সেইখানে কি করেছেন। যেমন মনে করুন আপনি আপনার অ্যাপ এ ইউজারকে একটি ঘড়ি দিয়েছেন যেটাতে অ্যাপ ব্যাবহারকারী এলার্ম সেট করতে পারবে। এখন user input অনুসারে আপনার সেইখান থেকে মিনিট ও ঘন্টাক উভয়কে মিনিটে রূপান্তর করে রিটার্ন করে আপনি এলার্ম সেট করার কাজ করেছেন। আর আপনি যোগের ফাংশন লিখেছেন এইভাবে-

public int getTimeInMinutes( int hours, int minutes){
 int totalMinutes = hours*60 + minutes;
 return minutes;
}

 এখন আপনি যদি আপনার এপে প্রোগার্ড ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এই ফাংশন্টি ও ফাংশনের ভেরিয়েবলগুলো পরিবর্তিত হতে পারে এইভাবে, 

public int xyshb(int shdba, int askjdh){
int sadjkn = shdba*60 + askjdh;
 return sadjkn;
}

এই কোডটিতে কিসের জন্য কি কাজ করা হয়েছে তা নিঃসন্দেহে একজন হ্যাকারের বুঝতে অনেক কষ্ট হবে। Proguard ব্যবহার করলে আপনার অ্যাপ এ যদি কয়েক হাজারটা ক্লাস এবং ফাংশান থাকে, তাহলেও এটি সবগুলো ক্লাসের সবগুলো ফাংশনকে এইভাবেই encrypted করে দিবে। এবং এটি ডিক্রিপ্ট করার জন্য কোনো সফটওয়্যার বা টুলস (tools) গুগল বানায় নি। ফলে এটি ডিক্রিপ্টেড করা অতটা সহজ নয়।

ডায়েট চার্ট অ্যাপ

ওজন সঠিক সীমাতে রাখার স্বাস্থ্য ভিত্তিক অ্যাপ টি প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।

আর proguardf implement করাও অনেক সহজ।
আপনার শুধু অ্যাপ এর গ্র্যাডেল ফাইলে যেয়ে built types এর ভেতরে release এ যেয়ে  useproguard true লিখে দিতে হবে। নিচে Screen Shot দেখুন।

PC Screenshot
PC Screenshot

Colorful Life Apps
Get it on Google Play



আরও পড়ুনঃ
১। Android Bangla Info: এন্ড্রয়েড অ্যাপ বানাতে হলে কি কি জানতে হবে?

২। সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ (SleepyTube)

৩। নিজেকে অনুপ্রাণিত বা মটিভেট করার উক্তি সমূহ (Quotes of Motivation)

Friday, April 20, 2018

সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ (SleepyTube)

Play Store App Logo
App Logo

Don't understand Bengali?
Read Here in English.

আমি ভোরে উঠা ব্যাক্তি নই, না আমি বদ্ধ ব্যাক্তি। বছরের পর বছর আমি বিভিন্ন পদ্ধতিতে চিন্তা করেছি যাতে নিজেকে সঠিক সময়ে ঘুম থেকে জাগাতে পারি এবং দমাতে পারি দীর্ঘস্থায়ী অধিক ঘুমের পালাকে যা আমাকে স্কুলজীবন থেকে জর্জরিত করে রেখেছে। কিন্তু নানা ধরণের এলার্ম ঠিক করে রাখা বৃথা প্রমানিত হয়। আমি আমার মা, ভাই ও বন্ধুদের কে ঘুষ প্রদানের চেষ্টা করেছি যাতে তারা আমাকে ডাকবে যখন তারা ঘুম থেকে উঠবে এবং নিজেকে বিছানা থেকে উঠানোর জন্য বিছানার নিচে লুকিয়ে রেখেছি অ্যালার্ম ঘড়ি। কোনো কিছুই এক দুইদিনের বেশি কাজ করতো না। অবশেষে ঘুমের ৯০ মিনিটের চক্রের কথা জানার পরে এমন একটা অ্যাপ বানানো শুরু করি যেইটাতে চক্র মাফিক ঘুমানোর জন্য বা ঘুম থেকে ওঠার জন্য উপযুক্ত সময় পাওয়া যাবে।

App Banner
App Banner


 এটি নিরপেক্ষভাবে একটি অনাবৃত ধড়। অভিনাব অ্যাপের তুলনায় বেশ ছিমছাম একটি ওয়েব হ্যাক। এর ব্যবহারও অনেক সহজ সিম্পল। আপনার শুধু বলে দিতে হবে আপনি কোন সময়ে ঘুম থেকে উঠতে চান। হিউম্যান স্লিপ সাইকেল বা মানুষের ঘুমের চক্র বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৯০ মিনিটের হয়ে থাকে এবং এই চক্রগুলোর মাঝে জেগে ওঠাকে সহজ মনে করা হয়। অ্যাপ টি আপনার ঘুমিয়ে যাওয়ার সময় থেকে ৯০ মিনিট করে প্রত্যেকটি চক্র পরিমাপ করবে। আপনি ঘুমানোর সময় বলে দিলে এটি আপনাকে মোট ৭ টি চক্রের মাঝের জেগে উঠার সময় বলে দিবে আপনি চাইলে এলার্ম ও দিয়ে রাখতে পারবেন এই সময়গুলিতে। আবার আপনি যদি ঘুম থেকে ওঠার সময় নির্দিষ্ট করে থাকেন তাহলে সেই নির্দিষ্ট সময়ের প্রেক্ষিতে ঘুমের চক্র পরিমাপ করে এটি আপনাকে আপনার ঘুমানোর জন্য নির্দিষ্ট সময়কাল বলে দিবে। নির্দিষ্ট সময়ের যেকোনো টাইম স্লটে আপনি ঘুমিয়ে গেলে জেগে উঠার পর নিজেকে অনেক সতেজ চিন্তাহীন ও উজ্জীবিত মনে করবেন আশা করি।

অ্যাপ লিংকঃ  https://play.google.com/store/apps/details?id=com.blogspot.sakibhs.helptube

আরো ফ্রি অ্যাপ ব্যবহার করতে নিচের লিংক এ যান অথবা বাটোনে এ ক্লিক করুন। 




 https://play.google.com/store/apps/dev?id=5474137946144630162


Preview Screenshot 1
Preview Screenshot 1

Preview Screenshot 1
Preview Screenshot 2

Preview Screenshot 2
Preview Screenshot 3

Preview Screenshot 4
Preview Screenshot 4

Preview Screenshot 5
Preview Screenshot 5

Preview Screenshot 6
Preview Screenshot 6


আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিন। 

Friday, April 6, 2018

Deyale Deyale By Miner Rahman Lyrics are in both Bangla and English


minar

Deyale Deyale is a super hit song of Natok Tomar Amar Prem. The song is sung by Singer Miner Rahman in which Siam and Ognila are main casts.

Bangla Lyrics:


বলোনা, কেন তুমি বহুদূর, কেন আমি একা, হৃদয়ে ভাঙচুর
জাননা, তুমি হীনা এ আমার, স্বপ্ন মেঘে ঢাকা, নামে না রুদ্দুর।।x2


দেয়ালে দেয়ালে, খেয়ালে খেয়ালে, হিসেবে বেহিসেবে, তোমাকেই খুঁজি,
আড়ালে আড়ালে, কোথায় হারালে, ফিরে তুমি আর, আসবেনা বুঝি।

কতরাত, কেটে গেছে আঁধারে, নেই তো ভোরের দেখা, বোঝাবো কিভাবে,
কতঘুম, মিশে গেছে অজানায়, জানে শুধু দুচোখ, ভুল সে স্বভাবে।
দেয়ালে দেয়ালে, খেয়ালে খেয়ালে, হিসেবে বে হিসেবে, তোমাকেই খুঁজি,
আড়ালে আড়ালে, কোথায় হারালে, ফিরে তুমি আর আসবেনা বুঝি।

তবুও আমি, তোমার অপেক্ষায়, দেখব, নতুন দিনের আলো,
বেঁচে থাকার, আশ্রয় তুমি, তোমাকে শুধু বাসি ভালো।

দেয়ালে দেয়ালে, খেয়ালে খেয়ালে, হিসেবে বেহিসেবে, তোমাকেই খুঁজি।
আড়ালে আড়ালে, কোথায় হারালে, ফিরে তুমি আর, আসবেনা বুঝি।

বলোনা, কেন তুমি বহুদূর, কেন আমি একা হৃদয়ে ভাঙচুর
জানো না, তুমিহীনা এ আমার, স্বপ্ন মেঘে ঢাকা, নামে না রুদ্দুর।

Lyrics in English:

Bolona Keno Tumi Bohudur
Keno Ami Eka Hridoye Vangchur
Jano Na Tumi Hina E Amay
Shopno Meghe Dhaka Name na Roddur

Deyale Deyale Kheyale Kheyale
Hisebe Behisebe Tomakei khuji
Arale Arale Kothay Harale
Fire tumi aaR ashbe na Bujhi

Koto raat Kete geche Adhare
Neito bhorer Dekha Bojhabo Kivabe
Koto Ghum Mishe Geche Ojanay
Jane Sudhu du Chokh bhul se Shobhabe

Deyale Deyale Kheyale Kheyale
Hisebe Behisebe Tomakei khuji
Arale Arale Kothay Harale
Fire tumi aaR ashbe na Bujhi

tobu ami tomar opekkhaye
dekhbo notun diner aalo
beche thakar ashroy tumi
tumake sudhu bashi valo

Deyale Deyale Kheyale Kheyale
Hisebe Behisebe Tomakei khuji
Arale Arale Kothay Harale
Fire tumi aar ashbe na Bujhi




 আরও দেখুনঃ সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ (SleepyTube)

Despacito (দেস্পাসিতো) Main Song in Bangla (Bengali) Lyrics

Tuesday, March 20, 2018

হালতির বিল পাটুল, নাটোর নলডাঙ্গা (Mini Cox's Bazar Of Bangladesh)

patuler rasta

"প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের এই বাংলাদেশ" ছোটবেলার মুখস্থ করা বিভিন্ন রচনা স্বদেশ প্রেম, বাংলাদেশের রূপবৈচিত্র, আমাদের দেশ, ঋতুবৈচিত্রের বাংলাদেশ, ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ ইত্যাদি প্রায় সব রচনার প্রথম লাইনেই এই কথা অবশ্যই লিখা থাকত। কারোরই ছোটবেলায় দেশটাকে ঐভাবে দেখার ভাগ্য হয়না তেমন। রচনা মুখস্থ করে তেমন জানা না গেলেও এখন এই বাক্যের কথাগুলো অনেকেই অনুধাবন করতে পারি আমরা। কিন্তু সেই সৌন্দর্যের লীলাভূমি দেখতে হলে নিজের চোখ বা দৃষ্টিভঙ্গি টাও সুন্দর হতে হবে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বা মনের চোখ টা সুন্দর হলেই হয়ত আমরা এই দেশটার আসল সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবো। অথবা অনেকে তাদের এই জন্মভূমি কে দেখেও নিজের চোখের সৌন্দর্য বাড়াতে পারেন। চোখ সুন্দর না হলে এগুলো দেখে চোখের সৌন্দর্য নিয়েও আসতে পারেন। এইদেশটাকেই সবসময় আমরা দেখি (সুন্দরভাবে) তাই হয়ত আমার এত সুন্দর মনে হয়। অথবা যারা দেখে দেখে অতিষ্ট তাদের কাছে হয়ত অত সুন্দর লাগেনা। কিন্তু সবার চোখেই সৌন্দর্য টা ধরা পরবে যদি আমাদের দেখার অভ্যাস টা সুন্দর হয়। অন্তত যাদের কোনো কিছুর আর্টিফিশিয়াল বা বস্তুগত রূপ অতটা পছন্দ না তাদের কাছে সহজেই সৌন্দর্য টা ধরা পড়ার কথা। আর যাদের অস্থায়ী বা বস্তুগত সৌন্দর্য পছন্দ তাদের পছন্দ টাও অস্থায়ীই হয় যা পরিবর্তনশীল। কিন্তু তাদের পছন্দের পরিবর্তন টাও বেশীরভাগ সময় বস্তুগতই হয়ে থাকে। 


Blog Photo
Sunset @Patul


সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে উঠার সহজ একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।

প্রাকৃতিক বা ন্যাচারাল সৌন্দর্য তাদের মনে জায়গা করতে পারেনা তেমন। বিশ্বাস করুন, আল্লাহ্‌ আপনাকে যেই জন্মভূমিতে পাঠিয়েছেন সেইটা আপনার কাছে ভালো লাগতে বাধ্য। এমনকি আমার মনে হয় নিজের জন্মভূমির থেকে সুন্দর আর কোনো জায়গা কারোর কাছে অধিক সুন্দর হতে পারেনা। বাংলাদেশ টা অনেক ছোট হওয়া স্বত্বেও মাতৃভূমির সব আকর্ষনীয় জায়গাগুলো দেখার সৌভাগ্য হয়নি আমার। কিন্তু আজ পর্যন্ত নিজ ভূমির যত জায়গাই দেখেছি (কৃত্তিমতা ছাড়া) কোনোটাই খারাপ লাগার মত না। ইভেন খুব বেশি ভালো লাগার আর মনে ধরার মত আমাদের দেশের জায়গা গুলো। 


সাল টা ২০১১।
নিজ জেলা নাটোরে হওয়াতে সহজেই পরিবারের সাথে যাওয়ার সুযোগ হয় নলডাঙ্গার পাটুল নামক জায়গার, হালতির বিল নামে পরিচিত এই বিলটিতে। জেলার এমনকি দেশের অনেক জায়গায় এই বিলকে মানুষ মিনি কক্সবাজার নামেও চিনে। 

সুবিশাল এই বিলের প্রধান আকর্ষন এর একদম মাঝামাঝি দিক দিয়ে দুইগ্রামের মানুষের সংযোগ রক্ষার জন্য নির্মিত একটি পাকা রাস্তা। 
রাস্তার দুইদিকের বিস্তৃত এমন সুন্দর ও ঈষদচ্ছ পানি দেখে আপনি মুগ্ধ হতে বাধ্য। এখানে নৌকায় ঘুরাও দেশের অন্যান্য জায়গার নৌকাভ্রমণের থেকে তুলনামূলক অনেক সস্তা। 
খুব কম খরচের একটা ট্যুর যেখানে আপনি প্রকৃতির এমন সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।


একজন নাটোরবাসী হিসেবে আমি আপনাকে স্বদরে আমন্ত্রন জানাচ্ছি। :)


সাকিব হোসাইন

ব্লগ ছবি
২০১১ তে হালতির বিল পাটুলে তোলা আমার ছবি
কিছু প্রশ্ন ও উত্তরঃ
১। কিভাবে যাবো নাটোরের পাটুলে?
উত্তরঃ দেশের যেকোনো জেলা থেকে নাটোরের ০ পয়েন্ট বা মাদ্রাসার মোড়ে এসে অটো, সিএনজি, প্রাইভেট কার, মটরসাইকেল ইত্যাদি ছোট গাড়িতে করে যেতে পরবেন। যাতায়াতের রাস্তা বেশ ছোট তাই বাস যেতে পারবেনা।

ওজন সঠিক সীমাতে রাখার স্বাস্থ্য ভিত্তিক অ্যাপ টি প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।


২। নাটোরে পাটুল সহ অন্যান্য দর্শনিয় স্থান কি কি?
উত্তরঃ নাটরে পাটুল ছাড়াও অন্যান্য অনেক দর্শনীয় স্পট আছে। যেমন বঙ্গজল রাজবাড়ী, দিঘাপতিয়া গণভবন, অদূরেই আছে পুঠিয়ার আরেকটা রাজবাড়ি।


৩। নাটোরে ট্যুরে যেতে খরচ কেমন হবে? 
উত্তরঃ দেশের বিভিন্ন জায়গা বা জেলা থেকে নাটোরে আসার ভাড়া বিভিন্ন হবে। বা বাস রিজার্ভ করলেও বিভিন্ন যায়গা থেকে ভাড়া ভিন্ন ভিন্ন হবে। নাটোরে সদর আসার পরের খরচের কথা বলা যেতে পারে। অন্যান্য যেকোনো ট্যুর স্পট এর তুলনায় নাটোরে এসে তেমন খরচ হবেনা। শহর থেকে সব জায়গা অটো/সিএনজি তে যাওয়া যায়। অটো ভাড়া রাজবাড়ী ও গণভবনে ১০ টাকার মত লাগবে জনপ্রতি। রাজবাড়িতে ঢুকতে জনপ্রতি টিকিট ১০ টাকা এবং গণভবনে ঢুকতে জনপ্রতি ২০ টাকা লাগে।(সময় স্বাপেক্ষে টিকিটের মূল্য বাড়তে পারে)
হালতির বিল (পাটুল) , স্টেডিয়াম পার্ক এবং পুঠিয়া রাজবাড়ীতে ঢুকতে কোনো টাকা লাগেনা এখন পর্যন্ত। আসার আগে খোঁজ নিয়ে আসুন।


৪। নাটোর থেকে পিকনিক ট্যুর স্পট গুলোর দূরত্ব কত কত?
উত্তরঃ নাটর মেইন শহর থেকে আকর্শনীয় সব পিকনিক স্পটের দূরত্ব অনেক কম। যেমনঃ বঙ্গজল রাজবাড়ী, যেতে জিরো পয়েন্ট বা মাদ্রাসার মোড় থেকে ৫ মিনিটের মত লাগে অটোতে, এছাড়াও স্টেডিয়াম শিশুপার্ক আর দিঘাপতিয়া রাজবাড়িতেও ৫-১০ মিনিট লাগবে অটোতে। কিন্তু পাটুল বিল টা নল্ডাংগা উপজেলায় হওয়ায়, যেতে অটোতে প্রায় ৩০-৪০ মিনিট লাগে অটোতে, সিএনজি, বা প্রাইভেট কার এ গেলে সময় কম লাগবে। আর পুঠিয়া রাজবাড়িতে রাজশাহীর বাসেই যাওয়া যায়। যেতে ২৫-৩০ মিনিট লাগবে বাসে।


৫. নাটোরের পিকনিকের স্থান গুলো কয়টা পর্যন্ত খোলা থাকে?
উত্তরঃ রাজবাড়ীগুলো আর গণভবন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। পাটুলে থাকার জন্য কোনো সময়সীমা বা লিমিটেশন নাই। কিন্তু সন্ধ্যার আগেই চলে আসা ভালো।

এছাড়া আরো প্রশ্ন থাকলে পোস্টের কমেন্ট সেকশনে জানাবেন। :)   





আরও পড়ুনঃ  
দার্জিলিং শহরে ৪ দিনের ভ্রমন 


আমাদের স্বাস্থ্য ভিত্তিক অ্যাপ টি প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।

অ্যাপ


অ্যাপটি সম্পর্কে আরও জানতে নিচের পোস্ট টি পড়ুন।
ডায়েট অ্যাপ রিভিউ BMI & BMR

গুরুত্বপূর্ন পোস্ট ও অ্যাপ পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিন।



Colorful Life Apps
Get it on Google Play